Hsc বাংলা সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

 




১. কন্যার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদ্র বা অভদ্র কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টায়ও পার হইয়া যাইবে।

মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক  ̧রুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে,সেই জন্যই তাড়া।”

ক. বিয়ের সময় অনুপমের বয়স কত ছিল?

খ. অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোট ভাইটি।- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের কন্যার বাপের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ্য দেখাও।

ঘ. উদ্দীপকের ঘটনাচিত্র 'অপরিচিতা' গল্পের খণ্ডাংশের প্রতিনিধিত্ব করে মাত্র- কথাটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।


২. যাকে অপদার্থ, অকর্মণ ̈ বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাবার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশ্রমী হতে পারে, অপ্রতিভ সপ্রতিভ হবে, ভীরু সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন্যতম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সত্যের বিকাশ।

ক. ‘আমার পথ' প্রবন্ধটি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

খ. কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার পথ’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?

গ. উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ?


ঘ. “আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে”- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিচার কর।

৩. বিধবা আলেয়ার ঘাড়ে যখন ছোট্ট মিতুর লালন-পালনের ভার এসে পড়ে তখন তিনি কিছুটা বিরক্ত হয়েছিলেন। মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ভাই ও ভাবির মৃত্যুর পর ভাইঝি মিতুর দায়িত্ব না নিয়ে তার উপায় ছিল না। আর এখন মিতুকে ছাড়া তার এক

মুহূর্তও চলে না। মিতুকে ভালো রাখার জন্য তিনি অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেছেন।

ক. কোন বাজারে তরিতরকারি ফলমূলের দাম চড়া?

খ. কত দায়িত্ব তাদের, কত কাজ, কত ভাবনা'- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন বিষয়টি উঠে এসেছে? আলোচনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমস্ত ভাব ফুটে ওঠেনি- তোমার মতামতসহ আলোচনা কর।


৪. কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ্যার তীরের বাজারে। নদীর এপারে ওপারে বেশকিছু বড় বড় কলকারখানা। এলাকায়  শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজার সংলগ্ন হাই  ̄স্কুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে  ̧গুলিবিনিময় হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তি ফৌজ আসে, আক্রমন করে এবং প্রতিআক্রমন করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়,খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না।

ক. 'বর্ষাকালেই তো জুৎ' - কথাটি কে বলেছিল?

খ. “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন” ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকটির শেষাংশের ব৩ব ̈ 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “উদ্দীপকটিতে ‘রেইনকোট' গল্পের আংশিক ভাব প্রকাশিত হয়েছে।” - তোমার মতামতসহ আলোচনা কর।


খ-বিভাগ: পদ ̈ (কবিতা)


৫. মহাকাল ধরে যাহা জরাজীর্ণ, দীর্ণ, পুরাতন

কালজয়ী সেই সত ̈, যাহা নিত ̈ ক্ষয়হীন দীপ্ত চিরন্তন। কীর্তি, যার সুমহান, সত ̈-পূত যার মহাপধাণ

মৃতু ̈ যারে শধদ্ধাভরে এনে দেয় পধচুর সম্মান।

ক. ‘সোনার তরী' কবিতাটির অধিকাংশ প৩ি কত মাত্রার পূর্ণপূর্বে বিন ̈ ̄Í?

খ. 'একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা'- বলতে কবি বুঝিয়েছেন?


গ. ‘সোনার তরী' কবিতার স১ে⁄২ উদ্দীপক কীভাবে সাদৃশ ̈পূর্ণ হয়ে উঠেছে? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. 'সোনার তরী' কবিতায় চরিত্রের অন্তরালে কবি যে গভীর জীবন দর্শন ব ̈৩ করেছেন, উদ্দীপকে তার অনেকাংশই

পধতিফলিত হয়েছে'- মন্তব ̈টি বিশ্লেষণ কর।


৬. সেধাতের বিপরীতে চলা মানুষ রহমান। জীবনে কখনো কারও ক্ষতি করার চেষ্টা করেননি। বরং কেউ তার ক্ষতি করলে তিনি

পধতিদান হিসেবে উপকার করার চেষ্টা করেন। তার ধারণা- ঘৃণা নয়, ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়।

ক. কবি কার জন ̈ কাঁদেন?

খ. কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান'- কেন বলা হয়েছে? ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপক ও 'পধতিদান' কবিতার সাদৃশ ̈সূত্র চিহ্নিত কর।

ঘ. 'ঘৃণা নয়, ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়'- 'পধতিদান' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।

৭. বাংলার ক্লাসে জাভেদ রহমান বললেন- তোমরা এখন যে বয়সে আছ সেই বয়সটি তারুণে ̈র, বিদেধাহের আর সৃজনশীলতার।

এই বয়সের তরুণরাই দেশকে শোষণমু৩ ও  ̄^াধীন করার জন ̈ রাজপথে র৩ ঝরিয়েছে।

ক. আঠারো বছর বয়স পথে-পধান্তরে কী ছোটায়?

খ. 'পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা'- ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকের স১ে⁄২ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ ̈ কোথায়? আলোচনা কর।

ঘ. “তরুণরাই পারে অসম্ভবকে সম্ভব করতে:- উদ্দীপক 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ কর।


গ-বিভাগ: উপন ̈াস


৮. রহমতগঞ্জের বীর মু৩িযোদ্ধা আব্বাস আলী পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত সব কটি যুদ্ধাভিযানে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে।

পাকসেনাদের কুপোকাত করে নিজের এলাকা সুরক্ষিত রেখেছে। আব্বাস আলীর জ্ঞাতি ভাই জাফর আলী একজন দেশদেধাহী,

একজন বিশ্বাসঘাতক। রু ̄Íম আলী অনেক বুঝিয়েও তাকে সুপথে আনতে পারেননি। জাফর আলী সুকৌশলে আব্বাস আলীকে

ধরিয়ে দেয় পাকসেনাদের হাতে।'

ক. মিরজাফরের  ̧প্তচর কে?

খ. ‘‘কত বড় শ৩ি, তবু কত তুচ্ছ।”- উ৩িটি ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. আপনজনের দ্বারা ভয়বহ বিপর্যয়ের শিকার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও আব্বাস আলী- মন্তব ̈টির যথার্থতা নিরূপণ কর।

৯. “ওরা  ̧লি ছোড়ে এ দেশের পধাণে, দেশের দাবিকে রোখে।

ওদের ঘৃণা পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।

ওরা এ দেশের নয়

দেশের ভাগ ̈ ওরা করে বিμয়।”

ক. 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অ১⁄৪ আছে?

খ. ‘আসামির সেই অধিকার থাকে নাকি?” উ৩ি কার এবং কোন পধস১ে⁄২ করেছে?

গ. উদ্দীপকের পধথম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে সাদৃশ ̈পূর্ণ? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক।- বিশ্লেষণ কর।


ঘ-বিভাগ: নাটক


১০. শাহবাজপুর গধামের সালামত শেখপাড়ার সর্বজন শধদ্ধেয় ব ̈৩ি। মসজিদের ইমামতি ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কাজে তার সমান

অংশগধহণ। অসু ̄’ কেউ তার কাছে ঝাড়ফুঁকের জন ̈ দ্বার ̄’ হলে তিনি তাদের ডা৩ার ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে পরামর্শ

দেন।

ক. 'লালসালু' কোন ধরনের উপন ̈াস?

খ. “মজিদের শ৩ি ওপর থেকে আসে, আসে ঐ সালু কাপড়ে আবৃত মাজার থেকে”- ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকের সালামত শেখ এবং মজিদের মধে ̈ বিরোধ কোথায়? আলোচনা কর।

ঘ. “অসু ̄’ কেউ তার কাছে ঝাড়ফুকের জন ̈ দ্বার ̄’ হলে তিনি তাদের ডা৩ার ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে পরামর্শ

দেন।”- 'লালসালু' উপন ̈াসের আলোকে উ৩িটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।


১১. পারভেজ সাহেব বিদেশে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রা ̄Íা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে তার অকাতর

দান রয়েছে। নিঃসন্তান পারভেজের পিতৃ-হৃদয়ের আচ্ছাদন পুরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী লাভলীও


তাকে এ পধ ̄Íাব দেন। পারভেজ তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে পধতিপালন করে স্ত্রী লাভলীর মাতৃ-হৃদয়ের

অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।

ক. ইউনিয়ন বোর্ডের পেধসিডেন্ট কে?

খ. “সম ̄Í আস্ফালনের মুখে চুন দিল”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের পারভেজ ও 'লালসালু' উপন ̈াসের মজিদ চরিত্রের মানসিক পার্থক ̈ আলোচনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকে পধতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন ̈াসে অনুপি ̄’ত। "- মন্তব ̈টি বিচার কর।


উত্তরমালা


১. কন ̈ার বাপ সবুর করিতে পারিতেন, কিন্তু বরের বাপ সবুর করিতে চাহিলেন না। তিনি দেখিলেন, মেয়েটির বিবাহের বয়স পার

হইয়া গিয়াছে, কিন্তু আর কিছুদিন গেলে সেটাকে ভদধ বা অভদধ কোনো রকমে চাপা দিবার সময়টায়ও পার হইয়া যাইবে।

মেয়ের বয়স অবৈধ রকমে বাড়িয়া গিয়াছে বটে, কিন্তু পণের টাকার আপেক্ষিক  ̧রুত্ব এখনো তাহার চেয়ে কিঞ্চিৎ উপরে আছে,

সেই জন ̈ই তাড়া।”

ক. বিয়ের সময় অনুপমের বয়স কত ছিল?

খ. অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোট ভাইটি।- উ৩িটি ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকের কন ̈ার বাপের সাথে 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ ̈ দেখাও।

ঘ. উদ্দীপকের ঘটনাচিত্র 'অপরিচিতা' গল্পের খÐাংশের পধতিনিধিত্ব করে। মাত্র- কথাটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।


১ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. বিয়ের সময় অনুপমের বয়স ছিল তেইশ বছর।

খ. 'অন্নপূর্ণার কোলে গজাননের ছোট ভাইটি'- কথাটি মূলত অনুপমকে ব ̈১⁄২ করার উদ্দেশে ̈ বলা হয়েছে।

'অপরিচিতা' গল্পে লেখক অন্নপূর্ণার সন্তানের স১ে⁄২ গল্পের অনুপমের তুলনা করেছেন। দেবী দুর্গার দুই পুত্র গণেশ ও কার্তিকেয়।

কার্তিকেয় ছোট বিধায় সে সব সময় মাতৃস্নেহে লালিত এবং মায়ের কোলই যেন তার একমাত্র আশধয়। অনুপম শিক্ষিত হলেও

ব ̈৩িত্বরহিত পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায়। তার নিজ ̄^তা বলতে কিছুই নেই। তাকে দেখলে মনে হয় সে যেন মায়ের

কোলসংলগ্ন অবুঝ শিশু। এই কারণে লেখক ব ̈১⁄২ার্থে অনুপমকে কার্তিকেয়ার স১ে⁄২ তুলনা করে পধশ্নো৩ কথাটি বলেছেন।

গ. উদ্দীপকের কন ̈ার বাপের স১ে⁄২ 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের যামার সাদৃশ ̈ রয়েছে।

আমাদের সমাজে বিরাজমান কিছু কুসং ̄‹ারের কারণে মেয়েদের জীবনে দুর্ভোগ নেমে আসে। মেয়ের বিয়ের বয়স পার হয়ে

যাওয়া এবং যৌতুকের চিন্তায় মেয়ের বাবা-মাও উদ্বিগ্ন থাকেন। তবে সময়ের স১ে⁄২ স১ে⁄২ পাল্টে যাচ্ছে এসব সং ̄‹ার।

উদ্দীপকে কন ̈ার বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলেও তার বাবার তেমন আগধহ ছিল না। মেয়ের বিয়ের ব ̈াপারে তার মধে ̈ কোনো

তাড়াহুড়ো পরিলক্ষিত হয়নি। “অপরিচিতা' গল্পে মামা ছিল অনুপমের অভিভাবক। কিন্তু অনুপমের বিয়ের বয়স হয়ে যাওয়ার

পরও তার মামার এ বিষয়ে তেমন আগধহ ছিল না। হরিশের কথায় অনুপমের বিয়ের বিষয়ে অগধসর হলেও মামার মধে ̈ তেমন

একটা তাড়াহুড়ো ছিল না। এ কারণে অনেক বড় ঘর থেকে সম্বন্ধ আসার পরও মামা অনুপমের বিয়ের ব ̈াপারে সময় নিয়েছে।

আলোচিত এ দিকটির কারণেই উদ্দীপকের কন ̈ার বাপের স১ে⁄২ 'অপরিচিতা' গল্পের অনুপমের মামার সাদৃশ ̈ দেখা যায়।

ঘ. উদ্দীপকের ঘটনাচিত্র 'অপরিচিতা' গল্পের খÐাংশের পধতিনিধিত্ব করে মাত্র- কথাটি যথার্থ।

দীর্ঘকাল থেকে আমাদের সমাজে যৌতুকপধথা বিদ ̈মান। এ যৌতুকপধথার কারণে সবচেয়ে বেশি হেয় হচ্ছে আমাদের সমাজের

নারীরা। তবে বর্তমানে শিক্ষাব ̈ব ̄’ার ব ̈াপক উন্নতির ফলে যৌতুকের বিরুদ্ধে পধতিরোধ গড়ে উঠেছে।

বিয়ে নিয়ে সমাজে মেয়েদের অব ̄’া উদ্দীপকের ঘটনাচিত্রে পধতিফলিত হয়েছে। বিয়ের বিষয়ে মেয়েদের বয়সের ব ̈াপারটিও

এখানে  ̄’ান পেয়েছে। কন ̈ার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাওয়ায় পণের টাকার  ̧রুত্বও বেড়েছে। বরপক্ষের যৌতুকের বিষয়ে

লোভী দৃষ্টিভ১ি⁄২ও উদ্দীপকে পধকাশ পেয়েছে। 'অপরিচিতা' গল্পেও আমাদের সমাজে বিবাহযোগ ̈া মেয়েদের অব ̄’া এবং

অমানবিক যৌতুকপধথার বিরুদ্ধে নারী-পুরুষের সম্মিলিত পধতিরোধের কথা বলা হয়েছে। কল ̈াণীর পনেরো বছর বয়স বরপক্ষের

কাছে অনেক বেশি মনে হয়েছে। অনুপমের মামার যৌতুকের পধতি লোভের দিকটিও ফুটে উঠেছে। কল ̈াণীর বাবা বরপক্ষের

দাবি পূরণ করতে রাজি হন। কিন্তু বরপক্ষ যখন সেকরা নিয়ে এসে কন ̈ার গহনা যাচাই করতে চায় তখন কল ̈াণীর বাবা

সেখানে মেয়ের বিয়ে দিতে অসম্মতি জানান। শম্ভুনাথ বাবুর এ সিদ্ধান্তের স১ে⁄২ মেয়ে কল ̈াণীও সাড়া দেয় এবং দেশপেধমে

উদ্বুদ্ধ হয়ে সারা জীবন মেয়েদের শিক্ষায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার বধত গধহণ করে।

'অপরিচিতা' গল্প এবং উদ্দীপক উভয়  ̄’ানেই যৌতুকপধথা এবং কন ̈াদায়গধ ̄Í পিতার বিষয়টি পধতিফলিত হয়েছে। কিন্তু

'অপরিচিতা' গল্পে ওই বিষয় ছাড়াও অমানবিক যৌতুকপধথার বিরুদ্ধে কন ̈ার পিতার অব ̄’ান, বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর কল ̈াণীর


বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত, মেয়েদের শিক্ষাদানের বধত গধহণ ইত ̈াদি বিষয়ের পধতিফলন রয়েছে, যে ̧লো উদ্দীপকে অনুপি ̄’ত।

তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'অপরিচিতা' গল্পের একটি খÐাংশের পধতিনিধিত্ব করে কথাটি যথার্থ।

২. যাকে অপদার্থ, অকর্মণ ̈ বলে উপহাস করা হচ্ছে, তাকে যদি কেউ সাহস দেয়, এগিয়ে যাবার পরামর্শ এবং সহযোগিতার হাত

বাড়ায়, তবে সেই মানুষটির মানসিক ও আত্মিক বিবর্তন ঘটবে। এতে অলস পরিশধমী হতে পারে, অপধতিভ সপধতিভ হবে, ভীরু

সাহসী হবে, মূর্খ বিদ্বান হবে, দুর্বল বলবান হতে পারে। এর অন ̈তম কারণ, সেই মানুষটির অন্তর্নিহিত সতে ̈র বিকাশ।

ক. ‘আমার পথ' পধবন্ধেটি কোন পধবন্ধগধন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

খ. কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত ̈' বলতে কী বুঝিয়েছেন?

গ. উদ্দীপকের ভাবনা 'আমার পথ' পধবন্ধের স১ে⁄২ কীভাবে সামসঞ্জস ̈পূর্ণ?

ঘ. “আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে”- উদ্দীপক ও 'আমার পথ' পধবন্ধের আলোকে মন্তব ̈টি বিচার কর।


২ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর

ক. 'আমার পথ' পধবন্ধকটি 'বৃদ্ধ সকাল' গধন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।

খ. কাজী নজরুল ইসলাম 'আমার সত ̈' বলতে পরাবলম্বন ও দাসত্ব পরিহার করে নিজের আমিত্ব শ৩ির দিকে ই১ি⁄২ত করেছেন।

মানুষ তাদের আলস ̈, কর্মবিমুখতা ও পরাবলম্বনের কারণে পিছিয়ে পড়েছে। তাদের অন্তর গোলামি ও দাসত্বের ভাব। কিন্তু

তারা যদি আপন সত ̈কে জানে তাহলে তারা তাদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে। তাই নিজের সত্তাকে জাগিয়ে

তুলতে দাসত্ব ও গোলামি দূর করতে নিজের শ৩ি ও নিজের সত ̈র ওপর অটুট বিশ্বাস রাখতে হবে। আর পরাধীনতা, দাসবৃত্তি

থেকে মু৩ হয়ে  ̄^াবলম্বী হওয়ার উপায় হচ্ছে অন্তর্নিহিত সত ̈কে অনুধাবন করা। 'আমার সত ̈' বলতে লেখক এই অনুধাবন

শ৩িকেই বুঝিয়েছেন।

গ. উদ্দীপকের ভাবনা আত্মশ৩িতে উদ্বুদ্ধ হওয়ার দিক দিয়ে 'আমার পথ' পধবন্ধের সাথে সামঞ্জস ̈পূর্ণ।

জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হলে পধয়োজন আত্মবিশ্বাসী ও  ̄^াবলম্বী হওয়া। অনে ̈র নির্দেশ মতো চললে  ̄^কীয়তা হারিয়ে

যায়। নিজের সত ̈ শ৩িকে সঠিকভাবে জানা গেলে পৃথিবীর অন ̈ান ̈ বিষয়ও জানা যায় 'আমার পথ' পধবন্ধে লেখক আত্মার

শ৩ি ও আমিত্বশ৩িকে  ̧রুত্ব দিয়েছেন। পরাবলম্বন আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেলে। পরাবলম্বনই। মানুষের সবচেয়ে বড়ো

দাসত্ব। অন্তরে যাদের গোলামির ভাব বাইরের গোলামি থেকে তাদের মু৩ি নেই। আত্মনির্ভরশীল ব ̈৩ি নিজের আত্মার শ৩িতে

বিশ্বাসী। অনে ̈র শ৩িতে তার বিশ্বাস নেই। এই আত্মনির্ভরশীলতা না থাকলে মানুষ নিজের উন্নতির জন ̈ অনে ̈ ওপর নির্ভর

করে। কিন্তু যেদিন মানুষের মনে আত্মনির্ভশীলতা আসবে, যেদিন মানুষ আত্মশ৩িতে উদ্বুদ্ধ হবে সেদিনই মানুষ  ̄^াধীন হবে।

উদ্দীপকে আত্মিক বিবর্তন ও মানসিক বিকাশের মাধ ̈মে আত্মশ৩িতে বলিয়ান হবার কথা বলা হয়েছে। অপদার্থ, অকর্মণ ̈

ব ̈৩িও অনুপেধরণা পেলে সপধতিভ হয়ে ওঠে। 'আমার পথ' পধবন্ধেও নজরুল ইসলাম 'আমি' সত্তার জাগরণের পধত ̈াশা করেছেন।

নিজেকে চেনা, নিজের সত ̈কে উপলব্ধি করার মাধ ̈মে মানুষ  ̄^াধীনতার, মু৩ির পথে অগধসর হতে পারে। এ দিক থেকেই

উদ্দীপকের ভাবনা ও আলোচ ̈ পধবন্ধের ভাবনা সামঞ্জস ̈মপূর্ণ।

ঘ. “আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে"- উদ্দীপক ও আনার পথ' পধবন্ধের আলোকে মন্তব ̈টি যথার্থ।

মানুষের জীবনে আছে অফুরন্ত আশা, আছে নিরাশার বেদনা যা তাকে যন্ত্রণায় দগ্ধ করে। পরনির্ভরতার কারণে এক অপার

শূন ̈ত মানুষের জীবনকে করে তোলে অর্থহীন। তবে জীবনের যে জাগধত অি ̄Íত্ব আছে, তার ওপর ভিত্তি করে মানুষ নতুন

আশায় উদ্দীপ্ত হয়।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, পরনির্ভতা কাটিয়ে কাউকে যদি তার আপন সতে ̈ উঞগ¢াসিত করা হয় তবে তার বৈপ্লবিক পরিবর্তন

সাধিত হবে। অলস হয়ে উঠবে পরিশধমী, ভীরু হয়ে উঠবে সাহসী, দুর্বল হয়ে উঠবে বলবান। কারণ তখন সে নিজেকে চিনবে।

নিজের শ৩িতে তার অন্তর্নিহিত সতে ̈র বিকাশ ঘটবে। তখন সেই উত্তাপে পুড়বে তার পরনির্ভরতা ও জড়তা। ‘আমার পথ'

পধবন্ধেও লেখক আপন সত ̈কে চেনার অভিপধায় ব ̈৩ করেছেন নিজেকে চেনা ও নিজে সত ̈কে জানার মধ ̈ দিয়ে পধাবন্ধিক

আত্মবিশ্বাসী ও আত্মপধত ̈য়ী হওয়ার আশাবাদ ব ̈৩ করেন। কারণ তিনি জানেন আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসবে।

'আমার পথ' পধবন্ধে লেখক আপন সত ̈কে চেনার মধ ̈ দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন পরনির্ভরতা কোনো মানুষেরই কাম ̈ নয়।

কারণ আত্মশ৩িতে বলীয়ান ব ̈৩ি সতে ̈র শ৩িতে ভা ̄^র। আর এমন ই১ি⁄২ত উদ্দীপকেও পধকাশ পেয়েছে। এসব বিচারে বলা

যায়, পধশ্নো৩ মন্তব ̈টি যথার্থ।

৩. বিধবা আলেয়ার ঘাড়ে যখন ছোট্ট মিতুর লালন-পালনের ভার এসে পড়ে তখন তিনি কিছুটা বির৩ হয়েছিলেন। মর্মান্তিক সড়ক

দুর্ঘটনায় ভাই ও ভাবির মৃতু ̈র পর ভাইঝি মিতুর দায়িত্ব না নিয়ে তার উপায় ছিল না। আর এখন মিতুকে ছাড়া তার এক

মুহূর্তও চলে না। মিতুকে ভালো রাখার জন ̈ তিনি অনলাইনে কাপড়ের ব ̈বসায় শুরু করেছেন।


ক. কোন বাজারে তরিতরকারি ফলমূলের দাম চড়া?

খ. কত দায়িত্ব তাদের, কত কাজ, কত ভাবনা'- ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের কোন বিষয়টি উঠে এসেছে? আলোচনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমগধ ভাব ফুটে ওঠেনি- তোমার মতামতসহ আলোচনা কর।


৩ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. শহরের বাজারে তরিতরকারি ফলমূলের দাম চড়া।

খ. পধশ্নো৩ উ৩িটি আহ্লাদিকে নিয়ে মাসি-পিসির দায়িত্ব ও চিন্তা- চেতনার বিষয় পধকাশ পেয়েছে।

পধথমে মাসি-পিসির মধে ̈ মিল ছিল না। শাকসবজি বিμি করে বাঁচার জন ̈ লড়াইয়ে নামলে তাদের সব বিরোধ শেষ হয়।

দুজন হয়ে যায় এক মন, এক পধাণ। সেই মিল আরও বেশি হয় আহ্লাদির ভার তাদের কাঁধে পড়ায়। তখন শুধু নিজেদের বেঁচে

থাকার বিষয় থাকে না। তাদের আহ্লাদিকে নিয়ে অনেক কাজ, অনেক ভাবনা। কারণ তাকে খাইয়ে পরিয়ে রাখতে হবে,

শ্বশুরবাড়ি থেকে রক্ষা করতে হবে ও খারাপ মানুষদের নজর থেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আর এসব নিয়েই মাসি-পিসির অনেক

চিন্তা-ভাবনা ও দায়িত্ব।

গ. উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের অনাথ ও অসহায় মেয়েকে আশধয় দান এবং আগলে রাখার লড়াইয়ের দিকটি ফুটে উঠেছে।

দায়িত্বশীলতা মানুষের মহৎ  ̧ণাবলির মধে ̈ অন ̈তম। দায়িত্ববান মানুষ অনে ̈র সুখের জন ̈ নিজের জীবনের সুখ বিসর্জন দিতে

সব সময় পধ ̄Íুত থাকে। এসব মানুষের জন ̈ই পৃথিবীটা সুন্দর হয়ে ওঠে।

উদ্দীপকে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আলেয়ার ভাই ও ভাবি মৃতু ̈বরণ করে। ভাইঝি মিতুর লালন-পালনের দায়িত্ব এসে পড়ে

বিধবা আলেয়ার ওপর। মিতুকে সে এতটাই ভালোবাসে যে এখন মিতুকে ছাড়া তার এক মুহূর্তও চলে না। মিতুকে ভালো


রাখার জন ̈ তিনি অবতীর্ণ হন জীবনযুদ্ধে। জীবিকা নির্বাহের জনে ̈ বেছে নেন অনলাইনের কাপড়ের ব ̈বসায়। এ দিকটি 'মাসি-

পিসি' গল্পেও পধকাশিত হয়েছে।  ̄^ামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার অনাথ আহ্লাদি আশধয় পায় বিধবা মাসি-পিসির কাছে। মাসি-

পিসি আহ্লাদিকে রক্ষার জন ̈ ও নিজেদের অি ̄Íত্ব টিকিয়ে রাখতে জীবন সংগধামে লিপ্ত হন।


উদ্দীপক ও আলোচ ̈ গল্প উভয়  ̄’ানে যথাμমে মিতু ও আহাদি নামের অনাথ দুটি মেয়েকে আশধয় দান এবং তাদের আগলে

রাখার লড়াই- সংগধাম ফুটে উঠেছে।

ঘ. “উদ্দীপকে 'মাসি-পিসি' গল্পের সমগধ ভাব ফুটে ওঠেনি”- মন্তব ̈টি যথার্থ।

বহুকাল থেকেই আমাদের সমাজে নারীরা অবহেলার শিকার। তারা তাদের ন ̈ূনতম চাহিদা মেটাতেই কঠোর পরিশধম করে।

অি ̄Íত্ব রক্ষার লড়াইয়ে তারা আজীবন সংগধাম করে।

উদ্দীপকে বিধবা আলেয়ার জীবনসংগধামের কথা বলা হয়েছে। ভাই ও ভাবির মৃতু ̈র পর ভাইঝি মিতুকে নিয়ে শুরু হয় তার

জীবনযুদ্ধ। মিতুকে ভালো রাখতে তিনি শুরু করেন কাপড়ের ব ̈বসায়। এ জীবনসংগধামের দিকটি 'মাসি-পিসি' গল্পেও পধতিফলিত

হয়েছে। অনাথ আহ্লাদিকে ঘিরেই তাদের সব জীবনযুদ্ধ আবর্তিত হয়। অসহায় আহ্লাদিকে নিষ্ঠুর সমাজের হাত থেকে রক্ষা

করতে তারা বদ্ধপরিকর। অসহায় অনাথ ভাইঝিকে আশধয় দেওয়া ও তার জন ̈ জীবনসংগধামে অবতীর্ণ হওয়ার দিক থেকে

উদ্দীপকের আলেয়া 'মাসি-পিসি' গল্পের মাসি ও পিসির সমান্তরাল। তবে আলেয়া সম্পূর্ণ মাসি-পিসির পধতিচ্ছবি নয়। কারণ

আহ্লাদিকে নিরাপত্তা দিতে সমাজের পধভাবশালী দুষ্ট লোকদের বিরুদ্ধে মাসি-পিসির যে লড়াই তা আলেয়াকে করতে হয়নি।

উদ্দীপকে আলোচ ̈ গল্পের জীবনসংগধামের দিকটি পধতিফলিত হলেও পুরুষশাসিত সমাজে নারীর অসহায়ত্ব ও অবমাননার চিত্র

অনুপি ̄’ত। তাই আমরা বলতে পারি, পধশ্নো৩ মন্তব ̈টি যথার্থ।

৪. কলিমদ্দি দফাদারের বোর্ড অফিস শীতলক্ষ ̈ার তীরের বাজারে। নদীর এপারে ওপারে বেশকিছু বড় বড় কলকারখানা। এ ̧লো

শাসনের সুবিধার্থে একদল খান সেনা বাজার সংলগ্ন হাই  ̄‹ুলটিকে ছাউনি করে নিয়েছে। কোনো কোনো রাত্রে  ̧লিবিনিময়

হয়। কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মু৩িফৌজ আসে, আμমণ করে এবং পধতিআμমণ করলে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়,

খান সেনারা তার রহস ̈ ভেদ করতে পারে না।

ক. 'বর্ষাকালেই তো জুৎ' - কথাটি কে বলেছিল?

খ. “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন” ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকটির শেষাংশের ব৩ব ̈ 'রেইনকোট' গল্পের কোন বিষয়টি নির্দেশ করে? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. “উদ্দীপকটিতে ‘রেইনকোট' গল্পের আংশিক ব৩ব ̈ পধকাশিত হয়েছে।” - তোমার মতামতসহ আলোচনা কর।


৪ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. 'বর্ষাকালেই তো জুৎ' কথাটি বলেছিল ছদ্মবেশী কুলি।


খ. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পধচÐ শীত রুশ বাহিনীর পক্ষে যেমন অনুকূল হয়েছিল তেমনই বর্ষা মৌসুমও মু৩িযোদ্ধাদের জন ̈

অনুকূল ছিল- এ বিষয়টি বোঝাতেই পধশ্নো৩ উ৩িটি করা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার বাহিনী পধচÐ শীতের কারণে রুশ বাহিনীর হাতে পর্যুদ ̄Í হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মু৩িযুদ্ধের

সময় বাংলাদেশের পধবল বর্ষায় তেমনই বিপ৩⁄৪নক পরিি ̄’তিতে পড়েছিল পাকি ̄Íানি বাহিনী। উ৩িটির মাধ ̈মে সেই বিষয়টির

কথাই বলা হয়েছে। কুলির ছদ্মবেশে কলেজে আলমারি দিতে এসে এক গেরিলা মু৩িযোদ্ধা বলেছিলেন 'বর্ষাকালেই তো জুৎ'।

নুরুল হুদার মনে হয়, এ কথার মধ ̈ দিয়ে ছেলেটি যেন আলোচ ̈ কথাটিই বলতে চেয়েছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের ছেলেরা

বর্ষার স১ে⁄২ পরিচিত থাকলেও পাকি ̄Íানি বাহিনীর তা ছিল না। ফলে তারা মু৩িবাহিনীর হাতে পর্যুদ ̄Í হয় বর্ষার কারণে।

গ. উদ্দীপকের শেষাংশের ব৩ব ̈ রেইনকোট' গল্পের মু৩িযোদ্ধাদের গেরিলা আμমণের বিষয়টি নির্দেশ করে।

আমাদের মু৩িযুদ্ধ আমাদের অহংকার। এ দেশকে  ̄^াধীন করার জন ̈ অনেক বীরসন্তান জীবন দিয়েছেন। তাঁদের সেই ত ̈াগের

কথা বাঙালি ভুলতে পারবে না। তাদের ঋণ আমরা কোনো দিনই শোধ করতে পারব না।

উদ্দীপকে নদী পার হয়ে মু৩িবাহিনীর হঠাৎ আμমণের দিকটি পধকাশ পেয়েছে। পাকি ̄Íানি সেনাদের কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী

ভেদ করে তারা হুটহাট আμমণ করে। কেমন করে তারা এ কাজ করে পাকি ̄Íানি সেনারা তা বুঝতে পারে না। 'রেইনকোর্ট'

পরেও মু৩িযোদ্ধাদের নদী পার হয়ে আসা এবং পাকি ̄Íানি ক ̈াম্পে অতর্কিত হামলার বর্ণনা রয়েছে। তারা পাকি ̄Íানিদের ক ̈াম্প

পর্যবক্ষেণ করে এবং সুযোগ বুঝে শত্রæর নিরাপত্তা ভেদ করে ছদ্মবেশে হামলা করে তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকটি 'রেইনকোট'

পল্পের মু৩িযোদ্ধাদের আμমণের বিষয়টিকে নির্দেশ করে।

ঘ. উদ্দীপকটিতে 'রেইনকোট' গল্পের আংশিক ব৩ব ̈ পধকাশিত হয়েছে।”- মন্তব ̈টি যথার্থ।

বাংলাদেশের  ̄^াধীনতার জন ̈ মু৩িযুদ্ধে হাজারো মায়ের বুক খালি হয়েছে, হাজারো বোন হারিয়েছে তাদের ভাই। সন্তানহারা

মা, ভাইহারা বোন আজও পথ চেয়ে আছে, যদি ফিরে পায় হারানো সেই মুখ ̧লো।

উদ্দীপকে মিলিটারি ক ̈াম্পে মু৩িবাহিনীর অতর্কিত আμমণে পাকি ̄Íানিদের চমকে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তারা

কোনোভাবেই বুঝে উঠতে পারে না কীভাবে মু৩িযোদ্ধারা তাদের আμমণ করে চলে যায়। 'রেইনকোট' গল্পে পাকি ̄Íানি

মিলিটারির বর্বর অত ̈াচার, নির্যাতনের দিকটি ফুটে উঠেছে। সাধারণ মানুষের আত১⁄৪ এবং তাদেরকে নির্বিচারে হত ̈া করার

বিষয়টি উপ ̄’াপিত হয়েছে। এছাড়া মু৩িযোদ্ধাদের বীরত্বের কথাও বর্ণিত হয়েছে গল্পে। পাকি ̄Íানি হানাদারদের আμোশ ছিল

বেশি শিক্ষক ও তরুণদের পধতি, সেই বিষয়টিও পধকাশ পেয়েছে।

উদ্দীপকে শুধু পাকি ̄Íানি হানাদার বাহিনীর ওপর মু৩িযোদ্ধাদের আμমণের দিকটি পধতিফলিত হয়েছে। আর 'রেইনকোট' গল্পে

মু৩িযুদ্ধের সময় পাকি ̄Íানি মিলিটারিদের নির্যাতন এবং গেরিলা মু৩িযোদ্ধাদের আμমণ, ঢাকা শহরের যুদ্ধের পরিি ̄’তি ইত ̈াদি

পধকাশ পেয়েছে। এই দিক বিচারে তাই বলা যায়, উদ্দীপকটিতে 'রেইনকোট' গল্পের আংশিক ব৩ব ̈ পধকাশিত হয়েছে।

৫. মহাকাল ধরে যাহা জরাজীর্ণ, দীর্ণ, পুরাতন

কালজয়ী সেই সত ̈, যাহা নিত ̈ ক্ষয়হীন দীপ্ত চিরন্তন। কীর্তি, যার সুমহান, সত ̈-পূত যার মহাপধাণ

মৃতু ̈ যারে শধদ্ধাভরে এনে দেয় পধচুর সম্মান।

ক. ‘সোনার তরী' কবিতাটির অধিকাংশ প৩ি কত মাত্রার পূর্ণপূর্বে বিন ̈ ̄Í?

খ. 'একখানি ছোটো খেত, আমি একেলা'- বলতে কবি বুঝিয়েছেন?

গ. ‘সোনার তরী' কবিতার স১ে⁄২ উদ্দীপক কীভাবে সাদৃশ ̈পূর্ণ হয়ে উঠেছে? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. 'সোনার তরী' কবিতায় চরিত্রের অন্তরালে কবি যে গভীর জীবন দর্শন ব ̈৩ করেছেন, উদ্দীপকে তার অনেকাংশই

পধতিফলিত হয়েছে'- মন্তব ̈টি বিশ্লেষণ কর।


৫ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর

ক. 'সোনার তরী' কবিতাটির অধিকাংশ পঙ৩ি ৮+৫ মাত্রার পূর্ণপর্বে বিন ̈ ̄Í।

খ. আলোচ ̈ প৩ির মধ ̈ দিয়ে কবি পৃথিবীতে মানুষের চিরন্তন একাকিত্বের বিষয়টি উপ ̄’াপন করেছেন।

আলোচ ̈ পঙ্৩িটিতে 'ছোটো খেত' বলতে মানুষের কর্মজগৎকে বোঝানো হয়েছে। ব ̄Íুত মানুষকে মৃতু ̈র পূর্ব পর্যন্ত কাজ করে

যেতে হয়; কাজ থেকে মানুষের নিষ্ক...তি নেই। আর এই কর্মক্ষেত্রে কর্মী ব ̈৩িমানুষ নিজেই। এ ক্ষেত্রে তার কোনো ভাগীদারও

নেই। পধশ্নো৩ পঙ্৩িটিতে ব ̈৩িমানুষের নিঃস১⁄২তার এ বিষয়টিই মূর্ত হয়ে উঠেছে।

গ. মহাকাল মানুষের মহৎ কীর্তিকে ধারণ করে বলেই মানুষ মৃতু ̈র পরও পৃথিবীর মানুষের কাছে সম্মান লাভ করে। 'সোনার তরী'

কবিতার স১ে⁄২ উদ্দীপকটি এ দিক দিয়েই সাদৃশ ̈পূর্ণ।

মানুষ মরণশীল। মৃতু ̈ সধষ্টার অমোঘ বিধান এবং পধাণের  ̄^াভাবিক ধর্ম। কিন্তু মৃতু ̈র মধ ̈ দিয়ে মানুষ বি ̄§...ত হতে চায় না।

কীর্তি দ্বারা মানুষ অমর হতে চায়। কারণ শুধু বয়সে বেঁচে থাকা জীবনের উদ্দেশ ̈ নয়।


উদ্দীপকে বলা হয়েছে কোনো ব ̈৩ি ইহকালে জরাজীর্ণ, পুরনো থাকলেও কর্ম যদি তার সুমহান হয় তাহলে মৃতু ̈র পরও সবাই

তাকে সম্মান করবে। তখন মহান কীর্তি তার মান-সম্মান আরও বহু ̧ণে বাড়িয়ে দেবে। 'সোনার তরী তরী' কবিতার কবিও

মানুষের মহৎ কীর্তির কথা বলেছেন। মানুষের মূল ̈বান কীর্তিকে পৃথিবীর মানুষ আঁকড়ে ধরে। ফলে কর্মের মাধ ̈মে মানুষ মৃতু ̈র

পরও বেঁচে থাকতে পারে। উদ্দীপকে কীর্তি ও কীর্তিমানের  ̄^রূপ বর্ণনার মাধ ̈মে 'সোনার তরী তরী' কবিতার এ ভাবটি

সাদৃশ ̈পূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ঘ. ‘সোনার তরী’ কবিতায় চরিত্রের অন্তরালে কবি যে গভীর জীবনদর্শন ব ̈৩ করেছেন, উদ্দীপকে তার অনেকাংশই পধতিফলিত

হয়েছে।”- মন্তব ̈টি যথার্থ।

মানুষ মরণশীল, কিন্তু তার মহৎ কর্ম অমর। মানুষ তার কল ̈াণকর কাজের মধ ̈ দিয়ে জগতে বেঁচে থাকে। জগতের মানুষের

জন ̈ কল ̈াণকর কর্ম যদি না থাকে তাহলে মানুষ অমরত্বের দাবি করতে পারে না।

উদ্দীপকে মানুষের কীর্তিটাকে বড় করে দেখা হয়েছে। যে কীর্তি দ্বারা মানুষ মৃতু ̈র পরেও সম্মানের অধিকারী থেকে যায়।

কীর্তিমানের মৃতু ̈ নেই' এই দর্শনটি উদ্দীপকে পধতিফলিত হয়েছে। 'সোনার তরী' কবিতায় উদ্দীপকের দর্শনটির আংশিক

পধতিফলিত হয়েছে। কারণ কবি মনে করেন, মহাকাল মানুষের মহান কীর্তিকেই ধরে রাখে, মানুষকে নয়।

'সোনার তরী তরী' কবিতার ভাবব ̄Íু জগৎ-সংসার ও মানবজীবনের নশ্বরতা ও অনিশ্চয়তা। তবু মানুষের জন ̈ সান্ত¡না এই যে,

মানুষ না বাঁচলেও টিকে থাকে তার মহৎ সৃষ্টিকর্ম। একদিন মানুষকে সব ফেলে নিরুদ্দেশের পথে চলে যেতে হয়। 'সোনার তরী

তরী' কবিতার মূল দর্শন এটি। অন ̈দিকে উদ্দীপকে 'কীর্তিমানের মৃতু ̈ নেই' এই জীবনদর্শনটি পধতিফলিত হয়েছে, যা 'সোনার

তরী তরী' কবিতার জীবনদর্শনকে আংশিক পধতীকায়িত করে। এই বিচারে পধশ্নো৩ মন্তব ̈টি যথার্থ।

৬. সেধাতের বিপরীতে চলা মানুষ রহমান। জীবনে কখনো কারও ক্ষতি করার চেষ্টা করেননি। বরং কেউ তার ক্ষতি করলে তিনি

পধতিদান হিসেবে উপকার করার চেষ্টা করেন। তার ধারণা- ঘৃণা নয়, ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়।

ক. কবি কার জন ̈ কাঁদেন?

খ. কাঁটা পেয়ে তারে ফুল করি দান'- কেন বলা হয়েছে? ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপক ও 'পধতিদান' কবিতার সাদৃশ ̈সূত্র চিহ্নিত কর।

ঘ. 'ঘৃণা নয়, ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়'- 'পধতিদান' কবিতার আলোকে তোমার মতামত দাও।


৬ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. যে কবিকে পর করেছে কবি তার জন ̈ কাঁদেন।

খ. আলোচ ̈ উ৩িটির মাধ ̈মে কবির উদার হৃদয়ের পরিচয় পাওয়া যায়।

কবি পধশ্নো৩ উ৩িটির মধ ̈ দিয়ে বলতে চেয়েছেন, সারা জীবন যারা কবিকে দুঃখ-যন্ত্রণা দিয়েছে তিনি সেসব ভুলে তাদের

ভালোবাসা দান করেন। কবি মনে করেন, এর মাধ ̈মে পৃথিবী সুন্দর হবে। কষ্ট পেয়ে পধতিশোধ নেওয়ার চেয়ে পধতিদানে

ভালোবাসা দেওয়াই উত্তম। কবি এ কাজটিই করেছেন। তাই তিনি বলেছেন যে, কাঁটা পেয়ে সারাটি জীবন তাদের ফুল দান

করেন।

গ. ঘৃণার পরিবর্তে ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা সম্ভব- এই দিক দিয়ে উদ্দীপক ও 'পধতিদান' কবিতার মধে ̈ সাদৃশ ̈ রয়েছে।

ঘৃণার মনোভাব নিয়ে কখনো মানুষের কাছে যাওয়া সম্ভব নয়। কেবল ভালোবাসা দ্বারাই মানুষকে জয় করা যায়। তাই সবার

পধতি ভালোবাসা পধদর্শন করাই উত্তম পন্থা।

উদ্দীপকের রহমান বিপরীত সেধাতে চলা মানুষ। তিনি কখনো কোনো মানুষের ক্ষতি করেননি। কেউ তার ক্ষতি করলে পধতিদানে

তিনি উপকার করার চেষ্টা করেছেন। তিনি মনে করেন, ঘৃণা দ্বারা কিছুই লাভ করা সম্ভব নয়। সবকিছু জয় করার জন ̈ পধয়োজন

ভালোবাসা। 'পধতিদান' কবিতায় কবি সমাজ-সংসারে বিদ ̈মান বিভেদ-হিংসা, হানাহানির পরিবর্তে এক পধীতিময় পরিবেশ

পধত ̈াশা করেছেন। এ জন ̈ কবি অনিষ্টকারীকে শুধু ক্ষমাই করেননি, পধতিদানে তিনি উপকার করেছেন। কবি চেয়েছেন সবাইকে

ভালোবাসতে। তাই বলা যায় যে, ঘৃণার পরিবর্তে ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা সম্ভব- এই দিক দিয়ে উদ্দীপক ও 'পধতিদান'

কবিতার মধে ̈ সাদৃশ ̈ রয়েছে।

ঘ. 'ঘৃণা নয়, ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়’- ‘পধতিদান' কবিতার আলোকে মন্তব ̈টি যথার্থ।

আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা অনে ̈র পধতি বিদ্বেষ পোষণ করেন। কিন্তু মানুষের আসল পরিচয় লুকিয়ে

থাকে তার মহৎ  ̧ণাবলির মধে ̈। যারা মহৎ  ̧ণাবলি ধারণ করেন তারা অনে ̈র ব ̈বহারে ব ̈থা পেয়েও ক্ষমা করে দেন।

উদ্দীপকে সেধাতের বিপরীতে চলা রহমানের মহানুভবতা ক্ষমাশীলতার কথা পধকাশ পেয়েছে। তিনি কখনো কারও ক্ষতি করার

চেষ্টা করেননি। কেউ ক্ষতি করলে তিনি পধতিদানে উপকার করেন। তিনি মনে করেন ঘৃণার পরিবর্তে ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু


জয় করা সম্ভব। 'পধতিদান' কবিতায়ও কবি বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে আঘাত পেলেও তাদের ক্ষমা করে দেন। কবি তাদের

জন ̈ ব ̈াকুল হন যারা তার ঘর ভাঙে, তার ঘুম কেড়ে নেয়, তাকে আঘাত করে।

উদ্দীপক ও 'পধতিদান' কবিতা উভয় জায়গায় পধকাশ পেয়েছে হিংসার বিপরীতে ক্ষমাশীলতা ও উদারতার কথা। তাছাড়া উভয়

জায়গায় অনিষ্টকারীকে ক্ষমা করে দিয়ে পধতিদানে তাদের উপকার করার কথা পধকাশিত হয়েছে। পৃথিবীর সব মানুষ এ বিষয়টি

মনে রাখলে আর কোনো সংঘাত সৃষ্টি হতো না। তাই আমরা বলতে পারি যে, পধশ্নো৩ মন্তব ̈টি যথার্থ।

৭. বাংলার ক্লাসে জাভেদ রহমান বললেন- তোমরা এখন যে বয়সে আছ সেই বয়সটি তারুণে ̈র, বিদেধাহের আর সৃজনশীলতার।

এই বয়সের তরুণরাই দেশকে শোষণমু৩ ও  ̄^াধীন করার জন ̈ রাজপথে র৩ ঝরিয়েছে।

ক. আঠারো বছর বয়স পথে-পধান্তরে কী ছোটায়?

খ. 'পদাঘাতে চায় ভাঙতে পাথর বাধা'- ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকের স১ে⁄২ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ ̈ কোথায়? আলোচনা কর।

ঘ. “তরুণরাই পারে অসম্ভবকে সম্ভব করতে:- উদ্দীপক 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আলোকে বিশ্লেষণ কর।


৭ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. ‘আঠারো বছর বয়স পথে-পধান্তরে বহু তুফান ছোটায়।

খ. আঠারো বছর বয়সে দুঃসাহসিকতা ও ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা থাকে বলে পদাঘাতে পাথর ভাঙতে চায়।

কবি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় অত ̈ন্ত  ̄úষ্টতার স১ে⁄২ উচ্চারণ করেছেন যে, এ বয়সে মানুষের মনে ভয়, পরাজয়,

কাপুরুষতা ও  ̧টিয়ে থাকার পধবণতা পধভৃতি থাকে না। ফলে এ বয়সে মনের মতো করে সকল হতাশা, নিরাশা, দুরাশা ও গøানি

মুছে একটি সুন্দর ও সার্থক জীবন গঠন করা যায়। তাছাড়া সব বাধা-বিপত্তি আর পধতিকূলতা মুহূর্তেই চূর্ণ-বিচূর্ণ করা যায় এ

বয়সের সাহসী মনের পধভাবে।

গ. তরুণদের তারুণ ̈ধর্ম, সাহস ও আত্মত ̈াগের দিক থেকে উদ্দীপকের স১ে⁄২ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ ̈ রয়েছে।


তরুণরা দুর্বার, দুঃসাহসী ও অমিত শ৩ির অধিকারী। তাদের পথ চলায় নেই কোনো বাধা, ভয়। সব বিধি-নিষেধ, বাধা-

বিপত্তির উর্ধ্বে তাদের অব ̄’ান। তারা দৃঢ়তায়, সাহসিকতায় ও পধাণের আবেগে  ̄^মহিমায় ভা ̄^র।


উদ্দীপকের বাংলা শিক্ষক জাভেদ রহমান আত্মত ̈াগের মহান মন্ত্রে উ৩⁄৪ীবিত হয়ে তরুণদের র৩ শপথ নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার

কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এ বয়সটি তারুণে ̈র, বিদেধাহের আর সৃজনশীলতার। তাই এ বয়সের তরুণরাই দেশকে

শোষণমু৩ ও  ̄^াধীন করার জন ̈ রাজপথে র৩ ঝরায়। আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি তরুণদের জয়গান গেয়েছেন।

কবির মতে আঠারো বছর বয়স দুঃসাহসের। এ বয়সে তরুণরা পিছিয়ে থাকে না। এরা দেশ, জাতি ও মানবতার জন ̈ দৃঢ়

শপথ নিয়ে এগিয়ে যায়। বিপদ মোকাবিলায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সামনে দাঁড়ায়। তাই আমরা বলতে পারি যে, তরুণদের

তারুণ ̈ধর্ম, সাহস ও আত্মত ̈াগের দিক থেকে উদ্দীপকের স১ে⁄২ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সাদৃশ ̈ রয়েছে।

ঘ. 'তরুণরাই পারে অসম্ভবকে সম্ভব করতে'- মন্তব ̈টি যথার্থ।

মানবজীবনে সবচেয়ে মূল ̈বান সময় হলো তারুণ ̈নির্ভর যৌবন কাল। এ সময়ে মানুষ পরনির্ভরশীলতা থেকে মু৩ হয়ে

আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠে। অধিকার সচেতন হয়ে ওঠায় তারা পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে  ̄^াধীন হতে চায়।

উদ্দীপকে আঠারো বছর বয়সের তরুণদের কথা বলা হয়েছে। জাভেদ রহমান বলেন, এই আঠারো বছর বয়সটি তারুণ ̈,

বিদেধাহ আর সৃজনশীলতার। এ বয়সটায় আত্মত ̈াগে তরুণকে উদ্বুদ্ধ করে। তাই তারা দেশকে শোষণমু৩ ও  ̄^াধীন করার

জন ̈ রাজপথে নামে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি তারুণে ̈র বৈশিষ্ট ̈ তুলে ধরেছেন। কবি অসীম সাহসী তরুণদের

সম ̄Í দুর্যোগ, দুর্বিপাক মোকাবিলা করে কল ̈াণসাধনের পধাণশ৩ির কথা বলেন। তারা অদম ̈ দুঃসাহসে সব বাধা-বিপত্তি পার

হয়ে সামনে এগিয়ে যায়। তারা অধিকারের জন ̈ এবং দেশ ও জাতির মু৩ির জন ̈ সংগধামের পথ বেছে নেয়। এ বয়সে

সংগধামীরাই অকাতরে র৩ দিয়ে দেশমাতৃকাকে  ̄^াধীন করে। তাই কবি চেয়েছেন এ দেশের বুকে যেন সব সময় আঠারো

বিরাজ করে।

উদ্দীপক ও আলোচ ̈ কবিতায় উভয় জায়গায় তারুণে ̈র জয়গান এবং তারুণে ̈র বিভিন্ন বৈশিষ্টে ̈র কথা পধকাশ পেয়েছে। উভয়

জায়গায়ই তরুণদের উদ ̈ম, নির্ভীকতা ও দুঃসাহসের বন্দনা ফুটে উঠেছে। কারণ দুর্দিনে ও দুর্যোগে তারাই সব অসম্ভবকে সম্ভব

করতে পারে।

৮. রহমতগঞ্জের বীর মু৩িযোদ্ধা আব্বাস আলী পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত সব কটি যুদ্ধাভিযানে কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছে।

পাকসেনাদের কুপোকাত করে নিজের এলাকা সুরক্ষিত রেখেছে। আব্বাস আলীর জ্ঞাতি ভাই জাফর আলী একজন দেশদেধাহী,


একজন বিশ্বাসঘাতক। রু ̄Íম আলী অনেক বুঝিয়েও তাকে সুপথে আনতে পারেননি। জাফর আলী সুকৌশলে আব্বাস আলীকে

ধরিয়ে দেয় পাকসেনাদের হাতে।'

ক. মিরজাফরের  ̧প্তচর কে?

খ. ‘‘কত বড় শ৩ি, তবু কত তুচ্ছ।”- উ৩িটি ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. আপনজনের দ্বারা ভয়বহ বিপর্যয়ের শিকার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও আব্বাস আলী- মন্তব ̈টির যথার্থতা নিরূপণ কর।


৮ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. মিরজাফরের  ̧প্তচর উমর বেগ।

খ. “কত বড় শ৩ি, তবু কত তুচ্ছ।”- উ৩িটি নবাব সিরাজউদ্দৌলা করেছিলেন যুদ্ধক্ষেত্রে ইংরেজ সেনাদের সামনে নিজেদের

অব ̄’ান বিবেচনা করে।

পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষে মোট সেনা ছিল পধায় তিন হাজার। তারা অস্ত্র চালনায় সুশিক্ষিত ছিল। সেই তুলনায় নবাবের

পক্ষে সেনা সংখ ̈া ছিল ৫০ হাজারের বেশি। ছোট-বড় মিলিয়ে ইংরেজদের কামান ছিল গোটা দশেক আর নবাবের পঞ্চাশটারও

বেশি। এত বড় শ৩ি নিয়েও ইংরেজদের বিরুদ্ধে পলাশির যুদ্ধে নবাবের মনে আশ১⁄৪া ও সন্দেহ ছিল। কারণ তাঁর মনে হয়েছে

মিরজাফর, রায়দুর্লভ, ইয়ার লুৎফ বা নিজেদের সেনাবাহিনী নিয়ে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। না। তাই মিরমর্দানের

স১ে⁄২ যুদ্ধের নকশা নিয়ে পর্যালোচনার সময় তিনি পধশ্নো৩ কথাটি বলেন।

গ. উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের অমাত ̈বর্ণের বিশ্বাসঘাতকতার দিকটি ফুটে উঠেছে।

লোভ মানুষকে অমানুষে পরিণত করে। ক্ষমতা ও অর্থসম্পদের লোভে মানুষ মনুষ ̈ত্ব বিসর্জন দেয় এবং নানা রকম অনৈতিক

কাজে জড়িয়ে পড়ে।  ̄^ার্থপর মানুষের কাছে আপন-পরে কোনো ভেদাভেদ থাকে না।

উদ্দীপকে জাফর আলী একজন দেশদেধাহী ও বিশ্বাসঘাতক। মু৩িযুদ্ধের সময় তার জ্ঞাতি ভাই আব্বাস আলী পাকি ̄Íানি বাহিনীর

বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। তিনি পাকি ̄Íানি বাহিনীর হাত থেকে নিজের এলাকাকে সুরক্ষিত রাখেন। কিন্তু জাফর আলী জ্ঞাতি

ভাই হয়েও তার স১ে⁄২ বিশ্বাসঘাতকতা করে। দেশদেধাহী জাফর আলী আব্বাস আলীকে পাকি ̄Íানি সেনাদের হাতে ধরিয়ে দেয়।

‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে নবাব সিরাজের বিশ্বাস ও মানবিকতার সুযোগ নিয়ে তার আত্মীয় ও অমাত ̈রা ষড়যন্ত্র করে। অধিকাংশ

অমাত ̈ অর্থ ও ক্ষমতার লোভে দেশ ও নবাবের স১ে⁄২ বিশ্বাসঘাতকতা করে। তারা ইংরেজদের স১ে⁄২ যোগ দিয়ে নবাবকে

পরাজিত ও নির্মমভাবে হত ̈া করে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের অমাত ̈বর্গের বিশ্বাসঘাতকতার

দিকটি ফুটে উঠেছে।

ঘ. আপনজনের দ্বারা ভয়াবহ বিপর্যয়ের শিকার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও আব্বাস আলী- মন্তব ̈টি যথার্থ।

যুগে যুগে বাংলার মানুষ পরাধীনতা থেকে মু৩ির জন ̈ লড়াই- সংগধামে অবতীর্ণ হয়। কিন্তু দেশপেধমিক মহান নেতারা কিছু

 ̄^ার্থান্বেষী মানুষের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে বিপর্য ̄Í হন। এই বিশ্বাসঘাতকেরা জাতির কাছে সব সময় ঘৃণার পাত্র।

উদ্দীপকের আব্বাস আলী নিজের জ্ঞাতি ভাইয়ের দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়েছেন। বিশ্বাসঘাতক ভাই জাফর আলী

নিজের  ̄^ার্থ উদ্ধারের জন ̈ পাকি ̄Íানিদের স১ে⁄২ হাত মেলায়। নির্ভীক মু৩িযোদ্ধা আব্বাস আলীকে সুকৌশলে ধরিয়ে দেয়

পাকি ̄Íানি সেনাদের হাতে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও নবাব সিরাজউদ্দৌলা অমাত ̈বর্গ ও আত্মীয়দের ষড়যন্ত্রের শিকার হন।

বিশেষ করে সেনাপতি মিরজাফর তার  ̄^ার্থ উদ্ধারের জন ̈ ইংরেজদের স১ে⁄২ হাত মেলান। তারা নবাবকে ক্ষমতাচু ̈ত করার

জন ̈ গোপনে ষড়যন্ত্র করেন। নবাবকে পধতিশধæতি দেওয়ার পরও তিনি যুদ্ধ করেননি। তাদের বিশ্বাসঘাতকতাই ইংরেজদের

বিরুদ্ধে যুদ্ধে নবাব পরাজিত হন এবং তাঁকে হত ̈া করা হয়।

আপন মানুষদের বিশ্বাসঘাতকতায় উদ্দীপকের আব্বাস আলী এবং আলোচ ̈ নাটকের নবাব সিরাজের জীবনে ভয়াবহ বিপর্যয়

নেমে আসে। তারা উভয়ই শত্রæর হাতে বন্দি হন এবং নির্মম পরিণতির শিকার হন। তাই বলা যায়, পধশ্নো৩ মন্তব ̈টি যথার্থ।

৯. “ওরা  ̧লি ছোড়ে এ দেশের পধাণে, দেশের দাবিকে রোখে।

ওদের ঘৃণা পদাঘাত, এ বাংলার বুকে।

ওরা এ দেশের নয়

দেশের ভাগ ̈ ওরা করে বিμয়।”

ক. 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে কয়টি অ১⁄৪ আছে?

খ. ‘আসামির সেই অধিকার থাকে নাকি?” উ৩ি কার এবং কোন পধস১ে⁄২ করেছে?

গ. উদ্দীপকের পধথম দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের কোন দিকটির সাথে সাদৃশ ̈পূর্ণ? ব ̈াখ ̈া কর।

ঘ. উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক।- বিশ্লেষণ কর।


৯ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে চারটি অ১⁄৪ আছে।

খ. মৃতু ̈দÐপত্রে জাফর আলি খানের  ̄^াক্ষর আছে কিনা তা সিরাজউদ্দৌলা দেখতে চাইলে মিরন আলোচ ̈ উ৩িটি করে।

১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন হলে মিরকাশেমের সেনাদের হাতে সিরাজউদ্দৌলা বন্দি হন। তাঁকে

জাফরগঞ্জ কারাগারে রাখা হয়। তখন লর্ড ক্লাইভের পধরোচনায় মিরন সিরাজউদ্দৌলাকে হত ̈ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। কারাগারে

মোহাম্মদি বেগকে নিয়ে মিরন উপি ̄’ত হয়। মিরন নবাবকে মৃতু ̈র জন ̈ পধ ̄Íুত হতে বললে নবাব তখন জাফর আলি খানের

 ̄^াক্ষর করা দÐাদেশপত্র দেখতে চান। নবাবের কথার উত্তরে মিরন বলে, 'আসামির সেই অধিকার থাকে নাকি?'

গ. উদ্দীপকের পধথম দুই চরণের ভাবার্থ ‘সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে পধতিফলিত ইংরেজদের অত ̈াচার ও শোষণের দিকটির স১ে⁄২

সাদৃশ ̈পূর্ণ।

নিজেদের  ̄^ার্থ উদ্ধারের দিকে ঔপনিবেশিক শাসকরা সবেচেয়ে বেশি সচেষ্ট থেকেছে। সামধাজ ̈ বি ̄Íারের দিকে তাদের অনেক

বেশি আগধহ ছিল। দুর্বলকে শোষণ করাই তাদের টিকে থাকার ও অি ̄Íত্ব রক্ষার একমাত্র অবলম্বন।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে অন ̈ান ̈ ঘটনার পাশাপাশি ইংরেজদের অত ̈াচার ও শোষণের দিকটি উঠে এসেছে। ইংরেজরা বাণিজ ̈

করার উদ্দেশ ̈ নিয়ে এ দেশে আসে। কিন্তু তারা বিভিন্নভাবে এ দেশের মানুষদের বঞ্চিত করে। নিজেদের  ̄^ার্থ উদ্ধারের জন ̈

তারা সাধারণ মানুষের ওপর অত ̈াচার শুরু করে। অত ̈াচার ও শোষণের এই চিত্র উদ্দীপকের ভাবার্থেও পধতিফলিত হয়েছে।

বিশেষ করে বাংলার মানুষের দাবি রুখে দিতে তারা বেছে নেয় ঘৃণ ̈তম অত ̈াচারের পথ। আলোচিত এ দিকটির স১ে⁄২ উদ্দীপকের

পধথম দুই চরণের ভাবার্থ সাদৃশ ̈পূর্ণ।

ঘ. উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থ- 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকের একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিক।- উ৩িটি যথার্থ।

ধন-সম্পদের পধাচুরে ̈ ইংরেজরা এ দেশে বাণিজ ̈ করতে আসে। তারপর সামধাজ ̈ বি ̄Íারের  ̄^প্নে বিভোর হয়ে তারা ষড়যন্ত্র,

চμান্ত ও অস্ত্রবলে এ দেশের মানুষকে শোষণ করতে চায়। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, আধিপত ̈ বি ̄Íারের লক্ষে ̈

তারা পূর্বেও অনেক জাতিকে শোষণ করেছে।

উদ্দীপকের শেষ দুই চরণের ভাবার্থে ভিনদেশিদের শোষণের চিত্র ফুটে উঠেছে। তারা নিজেদের আধিপত ̈ বি ̄Íারের জন ̈

দেশের সাধারণ মানুষ তথা দেশের ভাগ ̈ নিয়ে পধতারণা করেছে। দেশের ভাগ ̈ বিμি করে তারা নিজেদের  ̄^ার্থ চরিতার্থ করতে

চেয়েছে। 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকেও ভিনদেশিদের শোষণের দিকটি পধতিফলিত হয়েছে। ইংরেজরা বাণিজ ̈ করার উদ্দেশ ̈ নিয়ে

এ দেশে এলেও ধন- সম্পদের পধাচুরে ̈ তারা সামধাজ ̈ বি ̄Íারের  ̄^প্ন দেখে। কখনো শ৩ি পধয়োগ করে, কখনো দুর্নীতি বা

ষড়যন্ত্রের আশধয় নিয়ে তারা নিজেদের আধিপত ̈ বি ̄Íার করে। দেশের মানুষের ভাগ ̈কে সংকটের মধে ̈ ফেলে তারা নিজেদের

 ̄^প্নের বা ̄Íবায়ন ঘটিয়েছে।

'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ভিনদেশি ইংরেজদের ঘৃণ ̈ সামধাজ ̈বাদী চেহারা পধতিফলিত হয়েছে। নিজেদের  ̄^ার্থসিদ্ধির জন ̈ ওরা

দেশের ভাগ ̈কে বিμয় করেছে। এই তাৎপর্যপূর্ণ দিকটি উদ্দীপকের দুই চরণের ভাবার্থেও পধতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়,

পধশ্নো৩ উ৩িটি যথার্থ।

১০. শাহবাজপুর গধামের সালামত শেখপাড়ার সর্বজন শধদ্ধেয় ব ̈৩ি। মসজিদের ইমামতি ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কাজে তার সমান

অংশগধহণ। অসু ̄’ কেউ তার কাছে ঝাড়ফুঁকের জন ̈ দ্বার ̄’ হলে তিনি তাদের ডা৩ার ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে পরামর্শ

দেন।

ক. 'লালসালু' কোন ধরনের উপন ̈াস?

খ. “মজিদের শ৩ি ওপর থেকে আসে, আসে ঐ সালু কাপড়ে আবৃত মাজার থেকে”- ব ̈াখ ̈া কর।

গ. উদ্দীপকের সালামত শেখ এবং মজিদের মধে ̈ বিরোধ কোথায়? আলোচনা কর।

ঘ. “অসু ̄’ কেউ তার কাছে ঝাড়ফুকের জন ̈ দ্বার ̄’ হলে তিনি তাদের ডা৩ার ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে পরামর্শ

দেন।”- 'লালসালু' উপন ̈াসের আলোকে উ৩িটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর।

১০ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. 'লালসালু' সামাজিক সমস ̈ামূলক উপন ̈াস।

খ. মজিদের সব ক্ষমতার উৎস যে ঐ মাজার এখানে সেটিই বোঝানো হয়েছে।

মজিদ মহব্বতনগরে পুরনো জীর্ণ কবরকে জনৈক মোদাচ্ছের পীরের কবর বলে চালিয়ে দিয়েছে, যা গধামের কুসং ̄‹ারাচ্ছন্ন মানুষ

বিশ্বাস করেছে। সালু আবৃত মাজারটি মজিদের সব অপশাসন ও ক্ষমতার উৎস। গধামের ধনী ব ̈৩ি খালেক ব ̈াপারী গধামের

মানুষকে শাসন করলে তাদের মনে একটু পধতিহিংসা জাগে, অথচ মজিদের বেলায় তা জাগে না- কারণ মজিদের ক্ষমতার উৎস

হলো মাজার, যার স১ে⁄২ জড়িয়ে আছে ধর্মীয় অনুভূতি। পধশ্নো৩ উ৩িটি দ্বারা এ বিষয়টি বোঝানো হয়েছে।

গ. ধর্ম ও মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে  ̄^ার্থসিদ্ধি না করার দিকটি উদ্দীপকের সালামত এবং মজিদের মধে ̈ বিরোধ সৃষ্টি করেছে।


ধর্মব ̈বসায়ীরা মানুষের অজ্ঞতা, অশিক্ষা, কুসং ̄‹ারাচ্ছন্নতা পধভৃতির সুযোগ নিয়ে নিজের  ̄^ার্থ হাসিল করে। তারা ধর্মকে পুঁজি

করে নিজেদের পধয়োজন মেটায় এবং পধতিপত্তি বৃদ্ধি করে। এভাবে কুসং ̄‹ার ও নানা রকম অন্ধবিশ্বাসে আচ্ছন্ন সমাজে তারা

নিজেদের পধভাব বজায় রাখে।

উদ্দীপকের শাহবাজপুর গধামের সালামত শেখ সর্বজন শধদ্ধেয় ব ̈৩ি। তিনি মসজিদের ইমামতি করেন। পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন

সামাজিক কাজে অংশগধহণ করেন। তাকে বিশ্বাস করে অনেকে ঝাড়ফুঁকের জন ̈ তার কাছে আসেন। কিন্তু সালামত শেখ কোনো

কুসং ̄‹ারে বিশ্বাসী নন। তাই তিনি গধামের সাধারণ মানুষদের ডা৩ার ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন।

মসজিদের ইমাম হওয়ার পরও তিনি ধর্মকে ব ̈বহার করে নিজের  ̄^ার্থ হাসিল করেননি। অন ̈দিকে 'লালসালু' উপন ̈াসের মজিদ

সালামত শেখের সম্পূর্ণ বিপরীত চরিত্রের মানুষ। সে ধর্মকে পুঁজি করে জীবনের সব চাহিদা পূরণ করে। তথাকথিত মোদাচ্ছের

পীরের মাজারকে আশধয় করে মজিদ ঘরবাড়ি, জমিজমা ও পধতিপত্তির মালিক হয়। সে গধামের সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও ধর্মকে

পুঁজি করে নিজের আখের গোছায়। একই কাজ উদ্দীপকের সালামত শেখের করার সুযোগ থাকলেও তিনি করেননি। তাই বলা

যায়, ধর্ম ও মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে  ̄^ার্থ সদ্ধি না করার দিকটি উদ্দীপকের সালামত শেখ এবং মজিদের মধে ̈ বিরোধ

সৃষ্টি করেছে।

ঘ. “অসু ̄’ কেউ তার কাছে ঝাড়ফুঁকের জন ̈ দ্বার ̄’ হলে তিনি তাদের ডা৩ার ও হাসপাতালের শরণাপন্ন হতে পরামর্শ দেন।”-

'লালসালু' উপন ̈াসের আলোকে উ৩িটি তাৎপর্যপূর্ণ।

আমাদের দেশের কিছু মানুষ অনে ̈র দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নিজের ১ কার্য সিদ্ধি করে। তাতে কারও ক্ষতি হলো কি না সেই

চিন্তা তারা করে না। মূলত তারা ধর্মকে ব ̈বহার করে সহজে মানুষ ঠকায়। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ ধর্মভীরু।


উদ্দীপকে সালামত শেখ একটি মসজিদের ইমাম। তিনি ইমামতি ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশ নেন। গধামের সহজ-

সরল সাধারণ মানুষ তাকে বিশ্বাস করে। তাই কেউ অসু ̄’ হলে তার কাছে ঝাড়ফুঁকের জন ̈ আসে। কিন্তু তিনি তাদের ডা৩ার


ও হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেন। 'লালসালু' উপন ̈াসের মজিদ গধামবাসীর কুসং ̄‹ার ও অন্ধবিশ্বাসের সুযোগ নেয়। মজিদ

পানিপড়া দিয়ে গধামবাসীর চিকিৎসা করে। পেটে বেড়ি পড়ার কথা বলে মাজারের চারপাশে ঘোরায়।

আলোচ ̈ উপন ̈াসের মজিদ ধর্ম ও সাধারণ মানুষের অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে ঝাড়ফুঁকের মাধ ̈মে চিকিৎসা করে। কিন্তু

উদ্দীপকের সালামত শেখ সুযোগ থাকার পরও ধর্ম ও সাধারণ মানুষের অন্ধবিশ্বাসকে কাজে লাগাননি। বরং তিনি মানুষকে

ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি তাদের ডা৩ার ও হাসপাতালে যাওয়ার কথা বলেছেন, যেন তারা রোগমু৩ হতে পারে। অথচ

মজিদ সত ̈ লুকিয়ে নিজের অি ̄Íত্ব রক্ষা করতে ঝাড়ফুঁকের মাধ ̈মে চিকিৎসা করে। ফলে গধামের মানুষ সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত

হয়। তাই বলা যায়, পধশ্নো৩ মন্তব ̈টি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

১১. পারভেজ সাহেব বিদেশে গিয়ে অঢেল টাকা উপার্জন করেছেন। এলাকার রা ̄Íা, সেতু, মসজিদ, মন্দির তৈরিতে তার অকাতর

দান রয়েছে। নিঃসন্তান পারভেজের পিতৃ-হৃদয়ের আচ্ছাদন পুরণে অনেকেই তাকে দ্বিতীয় বিয়ের পরামর্শ দেন। স্ত্রী লাভলীও

তাকে এ পধ ̄Íাব দেন। পারভেজ তার এক বোনের নবজাতককে নিজ সন্তান হিসেবে পধতিপালন করে স্ত্রী লাভলীর মাতৃ-হৃদয়ের

অতৃপ্ত বাসনা পূরণ করেন।

ক. ইউনিয়ন বোর্ডের পেধসিডেন্ট কে?

খ. “সম ̄Í আস্ফালনের মুখে চুন দিল”- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের পারভেজ ও 'লালসালু' উপন ̈াসের মজিদ চরিত্রের মানসিক পার্থক ̈ আলোচনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকে পধতিফলিত ইতিবাচক জীবন চেতনা 'লালসালু' উপন ̈াসে অনুপি ̄’ত। "- মন্তব ̈টি বিচার কর।


১১ নম্বর সৃজননশীল প্রশ্নের উত্তর


ক. ইউনিয়ন বোর্ডের পেধসিডেন্ট মতলুব খাঁ।

খ “সম ̄Í আস্ফালনের মুখে চুন দিল" বলতে আমেনা বিবির ওপর মজিদের পধতিশোধ গধহণের ইচ্ছা পÐ করে দেওয়াকে বোঝানো

হয়েছে।

আমেনা বিবির পীরের পানিপড়া খাওয়ার শখ হলে মজিদের মনে একটি নিষ্ঠুর রাগ দেখা দেয়। আমেনার ওপর একটি নিষ্ঠুর

শাি ̄Í মজিদ ি ̄’র করে রাখে। কিন্তু অপধত ̈াশিতভাবে অসময়ে আমেনা মূর্ছা গেলে শাি ̄Í দেওয়ার সুযোগ মজিদের হাতছাড়া

হয়। মজিদের ক্ষমতাকে আমেনা বিবি এতদিন উপেক্ষা করেছে আবার সেই দিনও মূর্ছা যাওয়ার সুযোগে তার ক্ষমতাকে

একপধকার অবজ্ঞা করে গেল। মজিদকে নিষ্ঠুর আঘাতের সুযোগ দিয়েও আঘাত করতে দিল না। একেই ঔপন ̈াসিক 'সম ̄Í

আস্ফালনের মুখে চুল দিল' বলে বুঝিয়েছেন।

গ. উদ্দীপকের পারভেজের স১ে⁄২ 'লালসালু' উপন ̈াসের মজিদ চরিত্রের অর্থনৈতিক অব ̄’া এবং নিঃসন্তান হওয়ার দিক থেকে সাদৃশ ̈

থাকলেও মানসিকতার দিক থেকে বৈসাদৃশ ̈ রয়েছে।


বাবা-মায়ের কাছে সবচেয়ে পিধয় হলো তার সন্তান। সন্তানের জন ̈ নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় ত ̈াগ  ̄^ীকার করতেও পধ ̄Íুত

থাকেন বাবা- মা। অন ̈দিকে যাদের সন্তান নেই, তাদের জীবন হয়ে যায় মরুভূমি।

উদ্দীপকের পারভেজ সাহেব অনেক টাকা-পয়সার মালিক। কিন্তু তার কোনো সন্তান নেই। দ্বিতীয় বিয়ের জন ̈ অনেকে এমনকি

তার স্ত্রী পরামর্শ দিলেও তিনি রাজি হননি। বরং স্ত্রীর শূন ̈ কোল ভরিয়ে দিতে তার এক বোনের নবজাতক সন্তানকে তুলে

দিয়েছেন স্ত্রীর কোলে। 'লালসালু' উপন ̈াসের মজিদ অনেক টাকা-পয়সার মালিক। সে নিঃসন্তান হওয়ায় পুনরায় দ্বিতীয় বিয়ে

করে। উদ্দীপকে পারভেজ সাহেব নিজের এবং স্ত্রীর নিঃস১⁄২তা এড়িয়ে যেতে উদে ̈াগী হয়েছেন। কিন্তু উপন ̈াসের মজিদের

মাঝে এমন উদে ̈াগ দেখা যায় না। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের পারভেজের স১ে⁄২ উপন ̈াসের মজিদের অর্থনৈতিক অব ̄’া ও

নিঃসন্তান হওয়ার দিক থেকে সাদৃশ ̈ থাকলেও মানসিকতার দিক থেকে বৈসাদৃশ ̈ রয়েছে।

ঘ. উদ্দীপকে পধতিফলিত ইতিবাচক জীবনচেতনা 'লালসালু' উপন ̈াসে অনুপি ̄’ত। " মন্তব ̈টি যথার্থ।

সমাজ চলে সব মানুষের সার্বিক পধচেষ্টায়। কিন্তু সমাজের সবাইকে বঞ্চিত করে বিশেষ এক বা দুজন যখন নীতিনির্ধারকের

ভূমিকা পালন করে আর বাকিদের মতামতকে  ̧রুত্ব দেয় না, তখন সামাজিক ব ̈ব ̄’া মুখ থুবড়ে পড়ে। সেই সমাজে উন্নতির

 ̄úর্শ লাগে না।

উদ্দীপকে পারভেজ সাহেব নিঃসন্তান হলেও তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেননি। বরং সন্তানের অভাব পূরণে তার এক বোনের সন্তানকে

পধতিপালন করার সিদ্ধান্ত নেন। তার এমন সিদ্ধান্তের মধ ̈ দিয়ে উদার মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। অপরদিকে 'লালসালু'

উপন ̈াসে খালেক ব ̈াপারী সম্পদশালী হলেও তার সন্তান না থাকায় পধথম স্ত্রীকে রেখে পুনরায় দ্বিতীয় বিয়ে করে সে।

অন ̈দিকে মজিদকেও দেখা যায় রহিমার সন্তান না হওয়ায় জমিলাকে বিয়ে করে। উপন ̈াসের মজিদ কিংবা খালেক ব ̈াপারী

কারও মাঝেই উদার মানসিকতা দেখা যায় না। বরং সন্তান না হওয়ায় তারা দুজনই পুনরায় বিয়ে করে।

উদ্দীপকে এলাকার উন্নয়ন ও অনে ̈র সন্তানকে পধতিপালনের দায়িত্ব নেওয়ার মধ ̈ দিয়ে একধরনের ইতিবাচকতা ও উদারতা

পধকাশ পেয়েছে। কিন্তু 'লালসালু' উপন ̈াসে সন্তান না হওয়ায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে দেখা যায়। এছাড়া  ̄^ার্থসিদ্ধির জন ̈ অন ̈ায়

করতেও তারা পিছপা হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে পধতিফলিত ইতিবাচক জীবনচেতনা 'লালসালু' উপন ̈াসে অনুপি ̄’ত।

Post a Comment

Previous Post Next Post