জীবন-সংগ্রামী এই দুই নারী অত্যাচারী
স্বামী, জোতদার, দারোগা ও
খারাপ মানুষদের হাত থেকে অহ্লাদিকে রক্ষার জন্য যে ভূমিকা পালন করেছে সেই অসাধারণ
কাহিনীই ফুটে উঠেছে “মাসি-পিসি” গল্পে।
জগুর অত্যাচারে আহ্লাদি বাবার বাড়ি চলে
যায়। সেখানে তার একমাত্র অভিভাবক মাসিপিসি। তারা আহ্লাদিকে সন্তানের মতো কাছে
টেনে নেয়। আহ্লাদিও স্বামীর বাড়ি যেতে চায় না। কিন্তু জগু স্ত্রীকে ঘরে নিতে
চায়। কারণ, স্ত্রীর সম্পদের প্রতি তার লোভ আছে
। সে আহ্লাদিকে অপহরণ করার হীন মতলবে জোতদার ও দারোগা বাবু কানাই চৌকিদারকে
মাসিপিসির বাড়িতে পাঠায় ।
তারা কুটকৌশলের আশ্রয় নেয়। কিন্তু
মাসিপিসি তা বুঝতে পেরে চিৎকার করে লোক জড়ো করে এবং অস্ত্র হাতে দোষীদের ধাওয়া
করে। আসন্ন বিপদের কথা কল্পনা করে মাসিপিসি শত্রুর আগুনের হাত থেকে বাঁচার জন্য
বড় গামলাতে জল ভরে রাখে, কাথা আর কন্বল ভিজিয়ে
রাখে, হাতের কাছে রাখে বটি আরদা।