কাজের দক্ষতা বাড়ানোর উপায় , Improve your Skill

 

 বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম গবেষণা করে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়াতে তিনটি উপায় পেয়েছে। এগুলো মেনে চললে কাজের কর্মদক্ষতা যেমন বাড়ে, তেমনি উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে আরও বেশি কাজে লাগানো যায়।



Improve your Skill




কাজের দক্ষতা বাড়ানোর উপায়


কর্মক্ষেত্রে বেশি দক্ষ হতে সবাই চান। হ্যা এটি কে না চায়, কিন্তু কীভাবে? কাজে দক্ষতা বাড়ানোর উপায় অবশ্যই আছে। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম এ নিয়ে গবেষণা করছে। তারা দেখেছে, কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়াতে তিনটি উপায় আছে। এগুলো মেনে চললে কাজের কর্মদক্ষতা যেমন বাড়ে, তেমনি উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে আরও বেশি কাজে লাগানো যায়।

১. মন ও শরীরকে প্রস্তুত রাখুন:

যদি নিজের শক্তি ও স্বাস্থ্যকে নিয়মের মধ্যে আনতে চান তাহলে সময়কেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে হবে। আর এ জন্য আপনাকে কয়েকটি কাজ করতে হবে। এগুলো হলো:


ক. বেশি ঘুম:

প্রচুর পরিমান ঘুমান । কেননা ঘুমের অভাব কাজের দক্ষতা কমিয়ে দেয়, ভুল বাড়ায়, দুর্ঘটনা বৃদ্ধি করে এভাবে কাজের পরিমাণ কমায়। পাশাপাশি রোগের জন্ম দেয় কম ঘুম।

খ. ব্যায়াম:

শারিরীক সুস্থতার সাতে সাথে কাজের দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যায়ামের একটি ভালো সম্পর্ক আছে।

গ. ভিন্নভাবে ভাবুন:

নতুন নতুন ধারণা পেতে এমন একটি ক্ষেত্র বেছে নিন, যেখানে বুদ্ধি ভিত্তিক চিন্তা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানো যায় যা আপনার কাজের সঙ্গে সম্পর্কহীন। একটা কাজ যেভাবে সবসময় করেন, সেখান থেকে বেরিয়ে একটু ভিন্নভাবে চিন্তা করলেও তা ভালো কাজ দেয়।

ঘ. বিরতি নিন:

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ৯০ মিনিট একটানা কাজের মধ্যে ১৫ মিনিট বিরতি নেওয়াটা কাজের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কার্যকরী।


ঙ. ভালো খাবার:

সঠিক ও পুষ্টিকর খাবার ২০ শতাংশ পর্যন্ত কর্মদক্ষতা বাড়ায়। বলছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ।

চ. ধ্যান:

কাজের মনোযোগ বাড়ায় ধ্যান, মগজকে ধারালো করে, দীর্ঘস্থায়ীও করে। সঠিক পরিকল্পনা কাজের মান বাড়ায়। পরিকল্পনা করেই কাজ করতে হবে। কীভাবে তা করবেন:


ক. সবকিছু লিখে রাখুন, ছোট বা বড় যা-ই থাকুক। তাতে ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটি আর থাকবে না।
খ. পরিকল্পনা করুন,ঠিক করে পরিকল্পনাটি সাজান কাজটি কীভাবে করবেন, কখন করবেন।
গ. নিজের মন ঠিক করে এখন কাজটি শুরু করুন। বড় এবং কষ্টসাধ্য কাজটিই আগে ধরুন, সহজ কাজটি সবশেষে।

২. সঠিক পরিবেশ তৈরি করুন:


ভালো পরিবেশের উপর কাজের গুণগতমান নির্ভর করে । কাজের মনোযোগ নষ্ট হয়—এমন সব বিষয় যত কমানো যায় ততটাই ভােলা। এতে চাপও অনেক কমে। অনেকেই মনে করেন, অনেক কিছুর সঙ্গে থাকলে কাজের পরিমাণ বাড়ে, এটা ভুল।

ক. যখন কাজ করেন বা চিন্তা করেন, তখন আপনার মনোযোগ এক জায়গায় রাখুন।
খ. কখন মিটিং করবেন তার সঠিক সময় নির্ধারণ করুন।
গ. যখন কাজ করবেন দরজা বন্ধ রাখবেন।
ঘ. কাজের জায়গার পরিবেশটি সহায়ক রাখুন।

৩. তালিকা, পরিকল্পনা, কাজ:


সঠিক পরিকল্পনা কাজের মান বাড়ায়। পরিকল্পনা করেই কাজ করতে হবে। কীভাবে তা করবেন:
ক. সবকিছু লিখে রাখুন, ছোট বা বড় যা-ই থাকুক। তাতে ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটি আর থাকবে না।
খ. পরিকল্পনা করুন,ঠিক করে পরিকল্পনাটি সাজান কাজটি কীভাবে করবেন, কখন করবেন।
গ. নিজের মন ঠিক করে এখন কাজটি শুরু করুন। বড় এবং কষ্টসাধ্য কাজটিই আগে ধরুন, সহজ কাজটি সবশেষে।


Improve your Skill



ব্যক্তিগত এবং পেশাদার উভয় ক্ষেত্রেই ভালো ‘কমিউনিকেশন স্কিল’ ভালো থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি এবং পেশাগত জীবনে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করা আপনার জন্য অনেকটাই সহজ হবে, যদি আপনার ‘কমিউনিকেশন স্কিল’ সমৃদ্ধ থাকে। আপনার আত্মবিশ্বাস এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা বিভিন্নভাবে সুফল বয়ে আনবে। মানসিকভাবে আরও স্থিতিশীল হয়ে উঠতে সক্ষম হবেন । এতে করে আপনি আরও দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন। 

পড়ুন ‘কমিউনিকেশন স্কিল’ বাড়ানোর  কিছু কৌশল

Post a Comment

Previous Post Next Post