ঘ বিভাগ ব্যাকরণ

 





১. বাংলা ব্যাকরণ কাকে বলে ? ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় কয়টি ও কি কি ?

যে বিদ্যাশাখায় বাংলা ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি বর্ণনা করা হয় তাকে বাংলা ব্যাকরণ বলে ।

ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয়

 ব্যাকরণের এসব আলোচ্য বিষয় চারটি যথা- ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।

২. বাগযন্ত্র কাকে বলে ?

ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলোকে একত্রে বাগন্ত্র বলে।

স্বরযন্ত্র,জিভ,আলজিভ,তালু,দন্তমূল ও দন্ত,ওষ্ঠ, নাসিকা এগুলোকে একত্রে বাগন্ত্র বলে।

৩. ধ্বনি কাকে বলে?

 ভাষার ক্ষুদ্রতম একককে ধ্বনি বলে। বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে। এই ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।

 

৪. স্বরধ্বনি ধ্বনি কাকে বলে?

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।

৫. ব্যঞ্জনধ্বনি ধ্বনি কাকে বলে?

অন্যদিকে যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখের বাইরে বের হওয়ার আগে বাপ্রত্যঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বাধা পায়, সেগুলোকে ব্যঞ্জনধ্বনি বলে।

৬. বর্ণ কাকে বলে?

ধ্বনির প্রতীককে বলা হয় বর্ণ। ভাষার সবগুলো বর্ণকে একত্রে বলা হয় বর্ণমালা। ধ্বনির বিভাজন অনুযায়ী বাংলা বর্ণমালাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। স্বরধ্বনির প্রতীক স্বরবর্ণ। ব্যঞ্জনধ্বনির প্রতীক ব্যঞ্জনবর্ণ।

 

 

৭. দ্বিস্বরধ্বনি কাকে বলে ?

পূর্ণ স্বরধ্বনি ও অর্ধস্বরধ্বনি একত্রে উচ্চারিত হলে দ্বিস্বরধ্বনি হয়। যেমন 'লাউ' শব্দের আ পূর্ণ স্বরধ্বনি এবং অর্ধস্বরধ্বনি মিলে দ্বিস্বরধ্বনি [আ] তৈরি হয়েছে। দ্বিস্বরধ্বনির কিছু উদাহরণ:

[আই]: তাই, নাই

[এই]: সেই, নেই

[আ]: যাও, দাও

[আ]]: খায়, যায়

[উই]: দুই, রুই

৮. শব্দ কাকে বলে ? কি কি ভাবে শব্দ গঠিত হয়?

৯. উপসর্গ কাকে বলে?

উপসর্গ: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। 'পরিচালক' শব্দের ( পরি + চালক) 'পরি' অংশ একটি উপসর্গ ।

উপসর্গ দিয়ে তৈরি শব্দকে সাধিত শব্দ বলা হয়।

১০. প্রত্যয় কাকে বলে ?

প্রত্যয়ঃ যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে । ‘সাংবাদিক' শব্দের সংবাদ+ ইক ) “ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।

প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে সাধিত শব্দ বলা হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post