সৃজনশীল প্রশ্ন ১ :
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল,
সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর।
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো
দানবের মতো চিৎকার করতে করতে।
তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা,
ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো।
ক. কাদের সাথে নুরুল হুদার আঁতাত আছে?
খ. 'আব্বু ছোট মামা হয়েছে'- ছোট্ট মেয়ের এ উক্তিতে প্রফেসর চমকে ওঠেন কেন?
গ. উদ্দীপকের সঙ্গে 'রেইনকোট' গল্পটি কোন দিক দিয়ে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. "স্বাধীনতাকে পাওয়ার জন্য বাঙালি জনসাধারণের আত্মত্যাগই উদ্দীপকের কবিতাংশ ও 'রেইনকোট' গল্পের মূল প্রতিপাদ্য"- মন্তব্যটির যথার্থতা প্রতিপন্ন করো।
উত্তর এখানে
সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : ঘর থেকে বেরুতেই হাসিব গুলির শব্দ শুনতে পেল। ভয়ে ভয়ে রাস্তার মোড়ের দিকে এগিয়ে যেতেই সদ্যমৃত একটা লাশ দেখতে পেল। হাসিব কী করবে ভেবে পাচ্ছিল না। সে কী বাসায় ফিরে যাবে, নাকি বাজারের দিকে যাবে। ছোট ছেলেটার জ্বরের কথা ভেবে ওষুধের দোকানের দিকে এগিয়ে চলল। বাজারের মোড়ের কাছে যেতেই তিন-চারজন রাজাকার তাকে ঘিরে ধরল। স্থানীয় স্কুলের সহকারী শিক্ষক হাসিব নিজের পরিচয়পত্র তাদের দেখালো । কিন্তু তারা পরিচয়পত্রটি ছুড়ে ফেলে দিল। মুক্তিবাহিনী সন্দেহে হাসিবকে চোখ বেঁধে নিয়ে গেল মিলিটারি ক্যাম্পে।
ক. “দেখি তো; ফিট করে কিনা’ – কী ফিট করার কথা বলা হয়েছে?
খ. পাকিস্তান যদি বাঁচাতে হয় তো সব স্কুল কলেজ থেকে শহীদ মিনার হটাও’ কেন?
গ. উদ্দীপকের বিষয়বস্তুর সাথে ‘রেইনকোট” গল্পে বিধৃত ঘটনাবলির সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
ঘ. ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জনজীবন ছিল আতঙ্কভরা” – উদ্দীপক ও ‘রেইনকোট’ গল্পে অবলম্বনে উক্তিটির মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধাকে এক রাতের জন্য আশ্রয় দিয়েছিল রহমত। ভুল করে একজন মুক্তিযোদ্ধা একটি শার্ট ফেলে গেলে দিনমজুর রহমত শাটটি গায়ে দিয়ে মাঠে কাজ করতে যায়। হঠাৎ সে নিজের ভেতর এক ধরনের উত্তেজনা অনুভব করে । সেদিন বাড়ি না ফিরে সে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার জন্য সীমান্ত পাড়ি দেয়।
ক. নুরুল হুদার শ্যালকের নাম কী?
খ. ‘আব্বু তা হলে মুক্তিবাহিনী’ – কে, কেন বলেছে?
গ. উদ্দীপকে ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন দিকটি বর্ণিত হয়েছে? আলোচনা করো।
ঘ. “মুক্তিযোদ্ধার শার্ট” কিংবা “রেইনকোট” ও কাউকে বদলে দিতে পারে’__ উদ্দীপক ও ‘রেইনকোট’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর এখানে
সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : নিঃসন্তান সৌদামিনী মালো দুর্ভিক্ষে মৃত এক মুসলমান কৃষক পরিবারের অসহায় শিশুপুত্রকে মাতৃস্নেহে বুকে তুলে নেয়। শিশুর নাম দেয় হরিদাস। বড় হয়ে হরিদাস যখন জানতে পারে সে মুসলমানের ছেলে তখন সে সৌদামিনীকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। হরিদাসকে হারিয়ে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয় হাহাকার করে উঠে। ধর্ম, বর্ণ, অর্থ এসবকিছুর ঊর্ধে মাতৃত্ব।
ক. “আহবান” গল্পের বুড়িকে কে মা বলে ডাকে?
খ. “আমার মন হয়তো ওর ডাক এবার আর তাচ্ছিল্য করতে পারেনি” – ব্যাখ্যা করো।
গ. “সৌদামিনী মালো” গল্পটির সাথে “আহবান” গল্পের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য আলোচনা করো।
ঘ. উদ্দীপকের মূল বন্তব্য “আহবান” গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
উত্তর এখানে
সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : আশালতা তার পুত্র অপুকে নিয়ে শত অভাবের মধ্যেও সুখে দিন যাপন করছিল। কিছু একদিন গাড়ি চাপায় অপু মারা যায়, তছনছ হয়ে যায় আশালতার সকল স্বপ্ন। সেই থেকে সে উন্মাদ পাগল। ছোট বাচ্চা দেখলেই সে অপু মনে করে জড়িয়ে ধরে। একদিন সজীব নামের এক পিতৃ-মাতৃধীন ছেলে আশালতাকে মা বলে ভাকে। আশালতা সজীবকে আকড়ে ধরেই বাঁচার স্বপ্ন দেখে।
ক. কে গল্পকথককে বুড়ির মৃত্যুর সংবাদ দিয়েছিল?
খ. “ওর স্নেহাতুর আত্মা বহুদূর থেকে আমায় আহ্বান করে নিয়ে এসেছে’_ লাইনটি ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের আশালতার মধ্যে ‘আহ্বান’ গল্পের কোন চরিত্র ছায়াপাত লক্ষণীয়-_ বিশ্লেষণ করো।
ঘ. ‘প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও আশালতা ও বুড়ি মাতৃত্বের হাহাকারে ব্যথিত’__ মন্তব্যটির স্বপক্ষে তোমার যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : মন্বন্তরের সময় নিঃসন্তান হরিদাসী আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশে পরিত্যক্ত একটি শিশু দেখতে পায়। পরম স্নেহে অসহায় শিশুকে সে কোলে তুলে নেয় এবং মাতৃত্বের মমতায় তাকে বড় করে তোলে। কিন্তু বাদ সাধে সমাজ । তাদের মতে হরিদাসীর কুড়িয়ে পাওয়া ছেলেটি মুসলমানের ছেলে। তাকে কাছে রাখলে ব্রাহ্মণ সমাজের অশুচি হবে। কিন্তু হরিদাসী এত কিছু ভাবতে চায় না। তার কাছে মাতৃত্বের দাবিই বড় বিষয়।
ক. বুড়িকে মা বলে ডাকে কে?
খ.. “চিনবে না। আমি অনেকদিন গায়ে আসিনি” – উক্তিটি কেন করা হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের হরিদাসীর মধ্যে ‘আহ্বান’ গল্পের কোন চরিত্রের ছায়াপাত লক্ষণীয়, ব্যাখ্যা করো।
ঘ. প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও বুড়ি ও হরিদাসীর মধ্যে প্রাধান্যপেয়েছে মাতৃত্বের হাহাকার – উত্তিটি বিশ্লেষণ করো।