লালসালু : সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
১. প্রথম
শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা ফজিলাতুন নেসা বড্ড ঘুমকাতুরে। নয়টা পাঁচটা অফিস করে
বাসায় ফিরলেই তার ঘুম পায়। পনেরো বছর যাবৎ তিনি সংসারের ঘানি টানছেন। স্বামী
আবিদুর রহমান এম.এসসি পাস হলেও ঘরে বসে থাকেন। চাকরি নাকি পরের গোলামি। তার কাজ
সারাদিন টেলিভিশনে হিন্দি নাচগান দেখা। গতকাল এশার নামাজ না পড়েই ফজিলাতুন নেসা
ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বলে আবিদুর রহমান তাকে অনেক গালমন্দ করেন। ভদ্রমহিলা সারারাত নফল
নামাজ পড়ে পরের দিন অফিসে গেছেন।
ক. মহব্বতনগর
গ্রামে মজিদকে সবার আগে কে দেখেছিল?
খ. আমেনা বিবির পা দেখে মজিদের গলার কারুকার্য আরো সূক্ষ্ম হয় কেন?
গ. উদ্দীপকের
ফজিলাতুন নেসার সাথে 'লালসালু' উপন্যাসের রহিমা চরিত্রটির তুলনামূলক আলোচনা কর।
ঘ. ঔপন্যাসিক
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ তাঁর 'লালসালু' উপন্যাসে রহিমা চরিত্রটি কীভাবে উপস্থাপন করেছেন তা বিশ্লেষণ কর।
২. কাশেম মুন্সি মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে যখন চাকরি নিয়েছিল পনেরো বছর আগে, তখনও সে বিয়ে করেনি। ইতোমধ্যে সে বিয়ে করেছে, তিন কন্যা এবং দুটি পুত্রের পিতা হয়েছে কিন্তু বেতন বেড়ে মাত্র দুই হাজার টাকা
হয়েছে। সামান্য টাকায় তার সংসার চলে না। কাশেম মুন্সি তাই বাড়তি আয়ের জন্যে গরিব
মানুষকে 'পানিপড়া' দেয়, যদিও সে জানে
এতে কোনো কাজ হয় না এবং এটা অনৈসলামিক কাজ; তবু সে এটা
করে। কাজটা করতে তার খারাপ লাগে, তবু সে করে।
ক. মতলুব খাঁ
কে?
খ. 'মজিদ ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। যোগসূত্র হচ্ছে রহিমা।'- কেন?
গ. উদ্দীপকের
কাশেম মুন্সি চরিত্রটির সাথে মজিদ চরিত্রের মিল- অমিল কোথায়?
ঘ. 'লালসালু' উপন্যাস পাঠ করে মজিদ চরিত্রটি সম্পর্কে তোমার কি ধরনের প্রতিক্রিয়া জেগেছে?
৩. বিধবা, নিঃসন্তান জয়তুন বেগমের সংসার আর চলছিল না। একদিন মাঝরাতে তিনি চিৎকার করে ঘুম
থেকে জেগে উঠলেন এবং তারপর থেকেই তার সব আচরণ অস্বাভাবিক। দয়ারামপুর গ্রামের মানুষ
বলাবলি করছে, স্বপ্নে তিনি এক বুজুর্গ ব্যক্তির
কামিয়াবি হাসিল করেছেন। সবাই তার কাছে পানিপড়া আনতে যায়। জয়তুন বেগমের আয় রোজগার
মাশাল্লা মন্দ নয়।
ক. 'সালু'
শব্দের অর্থ কী?
খ. হাসুনির মা
দ্বিতীয় বিয়ে করতে অনাগ্রহী কেন?
গ. মজিদ এবং
উদ্দীপকের জয়তুন বেগমের তুলনামূলক আলোচনা কর।
ঘ. উদ্দীপকের
উল্লিখিত জয়তুন বেগম চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর।
৪. মফিজ আলীর
কোনো স্থির পেশা ছিল না। তার বাবা আরজ আলী ভূমিহীন কৃষক ছিল। ছেলেকে তিনি কলেজে
পড়ানোর জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন। ঢাকায় গিয়ে মফিজ পড়ালেখা বাদ দিয়ে বাম রাজনীতির
সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে। কথায় কথায় বলে আল্লাহ বলে কেউ নেই। এক সময় তার বাবা টাকা
দেওয়া বন্ধ করে দেয়। দেখতে দেখতে তার চাকরির বয়সও শেষ হয়ে যায়। তারপর সে ফিরে আসে
তার গ্রামে। মফিজ আলীর বর্তমান নাম হযরত শাহ সুফী মফীজ আলী ফরিদপুরী (র)। কামেল পীর হিসেবে তার খ্যাতি এখনও দেশ জোড়া।
ক. সৈয়দ
ওয়ালীউল্লাহ্ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
খ. 'তাই তারা ছোটে, ছোটে।' কেন ছোটে?
গ. উদ্দীপকের
মফিজ আলীর সাথে মজিদের তুলনামূলক আলোচনা কর।
ঘ. সৈয়দ
ওয়ালীউল্লাহ্ 'লালসালু' উপন্যাসে মজিদ চরিত্রের মধ্য দিয়ে কী ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন তা ব্যাখ্যা কর।
৫. ওয়াসিকা
গ্রামের এক দুরন্ত মেয়ে। বন্ধুদের সঙ্গে ছুটোছুটি করা, অবাধে সাঁতার কাটা তার আনন্দের কাজ। তার বাবা অভাবের তাড়নায় ওয়াসিকাকে পাশের
গ্রামের এক বুড়ো লোকের সাথে বিয়ে দিয়ে দিলেন। লোকটি গ্রামের মাতব্বর। তাকে সবাই
একাব্বর মুন্সি বলে ডাকে। মুন্সির কথা গ্রামের সবাই মানলেও চঞ্চল ও স্বাধীনচেতা
ওয়াসিকা তার কথা মানে না।
ক. ধলা মিয়া
কেমন ধরনের মানুষ ছিল?
খ. 'সজোরে নড়তে থাকা পাখাটার পানে তাকিয়ে সে মূর্তিবৎ বসে থাকে' বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. ওয়াসিকা 'লালসালু' উপন্যাসের জমিলার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ
ব্যাখ্যা কর।
ঘ. 'উদ্দীপকের একাব্বর মুন্সি 'লালসালু' উপন্যাসের মজিদ চরিত্রের সামগ্রিক দিক ধারণ করেনি' মূল্যায়ন কর।
